খুলনা | শনিবার | ০৮ অগাস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

ডিজাইন সম্পন্ন : চলছে ডিপিপি প্রস্তুত

৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা-মোংলা সড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণে প্রকল্প গ্রহণ

এস এম আমিনুল ইসলাম  | প্রকাশিত ৩০ জানুয়ারী, ২০২০ ০১:২০:০০

খুলনা-মোংলা (এন-৭) সার্ক আঞ্চলিক সড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরনে প্রকল্প গ্রহণ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ইতোমধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের ডিজাইন  তৈরি শেষ হয়েছে, চলছে ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রস্তুত কাজ। ৩০ কিলোমিটার এ সড়ক নির্মাণে খরচ ধরা হয়েছে অন্তত ৩ হাজার কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে যাতায়াত সহজ হবে, দুর্ঘটনা কমবে, শিল্প কারখানা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নত হবে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাট জেলার মোংলাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ নানা বেসরকারি শিল্প কারখানা। খুলনায় যার সরাসরি ইতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলছে। তাই খুলনার সাথে মোংলা বন্দরের যোগাযোগ শক্তিশালী করতে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নেয়া হয়েছে মেগা প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় খুলনা-মোংলা (এন-৭) সার্ক আঞ্চলিক সড়কটির কুদীর বটতলা থেকে  মোংলা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়ক ৬ লেনে উন্নীত করা হবে। অতিগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পে রয়েছে জমি অধিগ্রহণসহ গাছপালা লাগানো, মসজিদ, মন্দির, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা,কবরস্থান অন্যত্রে স্থানান্তরসহ ভবন বা স্থাপনার ক্ষতিপূরণ ও ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা, ডিভাইডার, ভারী গাড়ি ও ভ্যান রিকশা বাইসাইকেল সিএনজি মাহেন্দ্রা অর্থাৎ নন মটরাইজ ভিকেল গাড়ি চলাচলের পৃথক ব্যবস্থা, ৫ থেকে ৬টি ব্রীজ ও একাধিক কালভার্ট নির্মাণ ইত্যাদি। 
খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০১১ সালে এ প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করা হয়। গত বছর ১০ ডিসেম্বর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এ প্রকল্পের নাম ও সম্ভাব্য ব্যয় ঘোষণা করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এরপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে বেগ পায়। তার ফলশ্র“তিতে ইতোমধ্যে ডিজাইন তৈরি শেষ হয়েছে, চলছে ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রস্তুত কাজ। ডিপিপি প্রস্তুত শেষে প্রকল্পটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি অনুমোদনে জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটি (একনেক) সভায় প্রেরণ করবে। একনেক-এ প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে টেন্ডারের আহ্বান করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্থবায়ন হলে যাতায়াত সহজ হবে, দুর্ঘটনা কমবে, জ্বালানী ও যন্ত্রপতি খরচ কমবে, শিল্প কারখানা, কর্মসংস্থান ও সরকারের রাজস্ব বাড়বে এবং মানুষের জীবন যাত্রার মান আরও উন্নত হবে।

বার পঠিত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ











শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

০৮ অগাস্ট, ২০২০ ০১:০৫



ব্রেকিং নিউজ











শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

০৮ অগাস্ট, ২০২০ ০১:০৫