খুলনা | শনিবার | ০৮ অগাস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

মুজিব বর্ষে নতুন নেতৃত্ব চায় সাধারণ কর্মীরা

খুমেক ছাত্রলীগের কমিটিতে বেশির ভাগেরই ছাত্রত্ব নেই

বশির হোসেন | প্রকাশিত ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:১০:০০

খুলনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বেশির ভাগেরই ছাত্রত্ব নেই। তারা প্রায় সবাই পাশ করে চিকিৎসক পেশায় চলে গেছেন। কেউ কেউ বাইরে চাকুরিতেও যোগদান করেছে। তারপরেও ছাত্রাবাসে অবস্থান করে ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ করেন তারা। সাধারণ ছাত্রলীগ কর্মীরা বলছে এভাবে একই ব্যক্তিরা বছরের পর বছর পদ আখরে থাকলে নেতৃত্ব বিকশিত না হওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিকভাবে ছাত্রলীগ দুর্বল হয়ে পড়বে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের জুলাই মাসের এক বছরের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আশানুর ইসলাম কে সভাপতি ও মোঃ আশরাফুল ইসলাম রবিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৮ সদস্যের এক বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার পর খুমেক ছাত্রলীগ সাংগঠনিকভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে। বিশেষ করে ছাত্রলীগের দাবি অনুযায়ী কে-২৩ ব্যাচের ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আরিফুর রহমান আকাশের স্মৃতি অনুযায়ী গ্যালারির নামকরণ করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত মেয়াদের দ্বিগুণ সময় পার হয়েছে। কমিটির সভাপতি আশানুর ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রবিনসহ বেশির ভাগেরই ছাত্র জীবন শেষ। আশরাফুল ইসলাম রবিন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের প্রভাষক হিসেবে চাকুরিরত। এ অবস্থার মধ্যেও ছাত্রলীগের বর্তমান নেতাদের অনেকেই এখনও ছাত্রদের সাথে ছাত্রাবাসে অবস্থান করে ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ করে। সম্প্রতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ছাত্রাবাসে নতুন ছাত্র উঠানো নিয়ে বিতর্কে জড়ায় কমিটির নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ছাত্রাবাসে চায়ের দোকানদারকে মারপিট করে আলোচনায় আসে সংগঠনের নেতারা। কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সম্মেলন না হওয়ায় নতুন পদ প্রত্যাশীরা হতাশ হয়ে যাচ্ছে। একাধিক ছাত্রের সাথে কথা বলে জানা গেছে খুমেকের ছাত্ররা মুজিববর্ষে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সম্মেলনের দাবি জানিয়েছে।
কামরুজ্জামান কামরুল নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী জানিয়েছেন বর্তমান কমিটি তাদের সাধ্যমত কাজ করেছে কিন্তু সংগঠনকে একটি গতিশীল করতে সম্মেলন করতে হবে। মুজিববর্ষে নতুন নেতৃত্ব চায় ছাত্রলীগের সাধারণ কর্মীরা।
খুমেক ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ আশানুর ইসলাম বলেন, সংগঠণের কমিটি নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্র কমিটি নতুন সম্মেলনের ব্যাপারে কোন নির্দেশনা না দেয়ায় বর্তমান কমিটি বহাল আছে। পরবর্তীতে কেন্দ্র যদি কোন সিদ্ধান্ত দেয় তাহলে সে অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো হবে।
নগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন সময়ের খবরকে বলেন খুমেক কমিটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ন্ত্রণ করে। এটি একটি স্বতন্ত্র জেলার মানে পরিচালিত হয়। এর কমিটি করার এখতিয়ার একমাত্র কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ











শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

০৮ অগাস্ট, ২০২০ ০১:০৫