খুলনা | শনিবার | ০৮ অগাস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

পার্ক, ফুড কোড অথবা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা : সচিব

খুলনা টেক্সটাইল পল্লী নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বিটিএমসি

এস এম আমিনুল ইসলাম | প্রকাশিত ০৩ মার্চ, ২০২০ ০১:২০:০০

খুলনা টেক্সটাইল পল্লী নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বিটিএমসি

খুলনায় টেক্সটাইল পল্লী নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইলস মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)। প্লট বরাদ্দের টেন্ডারে সাড়া না মেলায় এধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। ফলে এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। নাগরিক নেতারা বলছে, বহু প্রতিক্ষিত এ পল্লী গড়ে উঠলে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে গতি বাড়তো। আর সংস্থার সচিব বলছেন, পাবলিক পার্টনারশীপ প্রকল্পের আওতায় ওই স্থানে এমিউজমেন্ট পার্ক, ফুড কোট অথবা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই অগ্রগণ্য হবে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, মহানগরীর নিউ মার্কেটের পশ্চিম পাশে ১৯৩১ সালে ২৫ দশমিক ৬৩ একর জমির ওপর আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র কটন মিল স্থাপিত হয়। সেটি পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে খুলনা টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেড নামে নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়। পরে মিলটি ১৯৯৩ সালে লে-অফ ঘোষণা করে সব জনবল বিদায় দেয়া হয়। এরপর ১৯৯৯ সালে খুলনা টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০০১ পরবর্তী সরকারের আমলে ওই প্রকল্প স্থবির থাকলেও ২০০৯ পরবর্তী সরকার আবারও প্রকল্পটি চালু করে। কিন্তু স্বাধীনতা পূর্ববর্তী ঋণ আদায়ের লক্ষে রূপালী ব্যাংক মামলা দায়ের করলে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে মিলের সাথে রূপালী ব্যাংকের সোলেনামা মূলে বিরোধ নিষ্পত্তির পর পুনরায় প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে পরিশোধও করা হয় ব্যাংকের দু’কোটি ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ঋণ। 
সুত্র জানায়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধের পর ১৮ দশমিক ২ একর জমিতে ২৪টি শিল্প প্লটে বিভক্ত কওে আবারও এর কার্যক্রম শুরু হয়। এর বাইরে অতিরিক্ত ৪ দশমিক ৬১ একর জমি রাস্তা, মসজিদ, বিদ্যালয়, কবরস্থান, পার্ক এবং ইউটিলিটি সার্ভিসের জন্য রাখা হয়। যার নকশা অনুযায়ী প্লট নির্ধারনের জন্য গত ২৯ মার্চ সার্ভেয়ার নিয়োগ ও ডিজিটাল সার্ভে প্রেরণ করা হয়। এরপর বিটিএমসির অনুমোদন সাপেক্ষে ঠিকাদার নিয়োগ শেষ করা হয়। কিন্তু সর্বশেষ পল্লীর ২৪টি প্লট বরাদ্দে টেন্ডার আহ্বান করা  হলেও কোন সাড়া মেলেনি। ফলে টেক্সটাইল পল্লী নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইলস মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)।
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মহাসচিব আশরাফ উজ্জামান বলেন, টেক্সটাইল পল্লী নির্মাণ হলে এ অঞ্চলে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানসহ অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চলতা বিরাজ করতো। সাধারণ মানুষ উপকৃত হতো। তবে এমিউজমেন্ট পার্ক, ফুড কোট অথবা হাসপাতাল নির্মাণ হলে সাধারণ মানুষ এতোটা সুফল পাবে না।
বিটিএমসি’র সচিব কাজী ফিরোজ হোসেন বলেন, টেন্ডার আহ্বান করা  হলেও কোন সাড়া না মেলায় কেডিএ’র সাথে আলোচনা করা হয়। কেডিএ ওই স্থানটি টেক্সটাইল পল্লীর উপযুক্ত না বলে মতামত প্রদান করে। যার ফলশ্র“তিতে পাবলিক পার্টনারশীপ প্রকল্পের আওতায় ওই স্থানে এমিউজমেন্ট পার্ক, ফুড কোড অথবা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই অগ্রগণ্য হবে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ











শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

০৮ অগাস্ট, ২০২০ ০১:০৫



ব্রেকিং নিউজ











শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

০৮ অগাস্ট, ২০২০ ০১:০৫