খুলনা | শনিবার | ০৮ অগাস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

মহান আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল করোনা ও আমাদের করণীয়

ড. মুহাম্মদ বেলায়েত হুসাইন | প্রকাশিত ২২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০:০০

মহান আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল
করোনা ও আমাদের করণীয়

পবিত্র কুরআনুল-কারীমে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেন, ‘আর আল্লাহর উপরে তোমরা ভরসা কর, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও’ (সূরা মায়েদাহ: ২৩) তাওয়াক্কুল শব্দটি আরবী। এর অর্থ হলো, ভরসা করা, নির্ভর করা তাওয়াক্কুল আলাল্লাহ অর্থ হলো, আল্লাহ তা’য়ালার উপর ভরসা করা। অর্থাৎ, দুনিয়া-আখিরাতের সকল কাজে, সকল মকসুদ হাসিল করার জন্য এবং সকল বিপদ-মুসীবত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য একমাত্র আল্লাহ তা’য়ালার উপর ভরসা রাখা।
মানুষকে দুনিয়ার জীবনে কোননা কোন কাজে কাউকে না কাউকে ভরসা তো করতেই হয়। কোথাও না কোথাও তাকে আত্মসমর্পন করতেই হয়। দুঃখ-বেদনা, সুবিধা-অসুবিধা, সমস্যা-সংকটের কথা কোথাও না কোথাও বলতেই হয়। সেই স্থানটা কোথায়? এখানেই ঈমানদার ও অবিশ্বাসীর মধ্য পাথ্যর্ক্য। অবিশ্বাসী সেই স্থান এমন ব্যক্তি বা বস্তুকে বানিয়ে নেয় বাস্তবে যাদের কল্যাণ-অকল্যাণের কোনোই ক্ষমতা নেই। পক্ষান্তরে আল্লাহ যাদেরকে ঈমান দান করেছেন, তাওহীদের আলোয় আলোকিত করেছেন তারা তাদের সকল বেদনা, সকল প্রার্থনা এমন একজনের কাছে পেশ করে যিনি বাস্তবেই মানুষের কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক। আর যিনি সৃষ্টির প্রতি পরম দয়ালু (আততাওয়াক্কুল ‘আলাল্লাহ)। 
লক্ষ্য করুন, হিজরতের সময় দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পর রসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু সাওর গুহায় অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের খোঁজ করতে করতে সেখানেও পৌঁছে গিয়েছিল মক্কার মুশরিকরা। গুহার ভিতর থেকে রসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের পা দেখতে পাচ্ছিলেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! তাদের কেউ যদি এখন নিজের পায়ের দিকে তাকায় তাহলে তো আমাদের দেখে ফেলবে। রসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘হে আবু বকর! আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন (সূরা তওবাহ: ৪০)।’
শত্র“ গুহার মুখে চলে এসেছে, বাহ্যত বাঁচার কোন পথ নেই, ধরা পড়তেই হবে। এই অবস্থায়ও রসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এতমিনান দ্বীলে তার মাহবুবের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও ভরসা রেখে বলেছেন নিশ্চয় আমার মাহবুবই আমাদের রক্ষা করবেন। কেউই আমাদের কোন আনিষ্ঠ করতে পারবে না।
মূসা আলাইহিসসাল্লাম ও তার কওম যখন লোহীত সাগরের পাড়ে এসে দাড়াঁল আর পিছনে ছিল ফেরাউনের বাহিনী তখন মূসা আলাইহিসসাল্লামের সাথীরা চিৎকার করে বলে উঠেছিল, হে মুসা আমরাতো ধরা খেয়ে গেলাম। মুসা আলাইহিসসাল্লাম মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে বললেন, ‘নিশ্চয়ই আমার সাথে আমার আল্লাহ রয়েছেন (সূরা শু‘আরা: ৬১-৬৩)।’ 
বাহ্যিকভাবে তাঁদের বাঁচার কোন পথ ছিল না। কারণ ডানে-বামে পিছনে শত্র“দল। আর সামনে সাগর। এরপরেও মূসা আলাইহিসসাল্লাম আল্লাহর উপর দৃঢ় ভরসা রেখে বলছেন, কখনো নয়, অসম্ভব হতেই পারে না। ফেরাউন আমাকে ধরতে পারবে না। কারণ নিশ্চয়ই আমার সাথে আমার প্রতিপালক রয়েছেন। তিনি আমাকে বাঁচার পথ দেখাবেন।
তাওয়াক্কুল হচ্ছে ভরসা করা, জীবনের সকল বিষয়ে, কল্যাণ লাভের ক্ষেত্রেও আবার অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাবার ক্ষেত্রেও। আর তা এমন সত্ত্বার উপর যিনি সকল কিছুর স্রষ্টা। বস্তুর গুণ ও বৈশিষ্ট্যের স্রষ্টা। যিনি গোটা জাহানের পালনকর্তা এবং যিনি দুনিয়া-আখিরাতের সকল কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক। আল্লাহ তা’য়ালা যদিও উপায়-উপকরণ তৈরী করে রেখেছেন কিন্তু মৌলিক ভাবে তার কোন শক্তি নেই। এই উপকরণের মধ্যে শক্তি দান কারী সত্বা আল্লাহ তা’য়ালার সত্বা। একেই তাওয়াক্কুল বলে। 
উদাহরণ স্বরূপ কেউ অসুস্থ হল। এখন তার চিকিৎসা গ্রহণ করা সুন্নত। এইক্ষেত্রে একজন মুমীন ও একজন আবিশ্বাসীর মধ্যে পার্থক্য হল আবিশ্বাসী পুরাপুরি ঔষধের উপর ভরসা করবে সে মনে করবে ঔষধ-ই তার রোগ নিবারন করবে। অপরদিকে একজন মুমীন তখন একথা মনে করবে যে, এই ঔষধ নিজে নিজে সৃষ্টি হয়নি একে আল্লাহ তা’য়ালা নিজের কুদরতের দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে সেফা দান করার যে গুন তা এর নিজের নয় এই গুন আল্লাহ তা’য়ালার দেওয়া এবং এই গুন প্রকাশ করার জন্যও এটি আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল, এটি নিজে কিছুই করতে পারে না। এটিই তাওয়াক্কুল। তবে এই ধ্যান যদি আমলের সময় না থাকে তাহলে তা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী। মনেরাখতে হবে যদি আমলের সময় এই ধ্যান হয় তাহলে তাওয়াক্কুলের সঠিক অর্থ অর্জিত হবে।
তাওয়াক্কুল সম্পর্কে ভ্রান্তি
অনেকে মনে করেন যে, তাওয়াক্কুল হল উপায়-উপকরণ অবলম্বন ছাড়াই হাত গুটিয়ে বসে থাকা। 
খুবভাল করে মনে রাখতে হবে যে, কোন চাহিদা পূরণে উপায়-উপকরণ ও মাধ্যম গ্রহণ না করা কোন অবস্থাতেই আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল বা ভরসার মর্মার্থ নয়। কোন কিছু না করে নিশ্চেষ্ট বসে থাকার নাম তাওয়াক্কুল নয়, বরং তা তায়াক্কুলের ভান। আরবীতে একে ‘তাওয়াকুল’ (تواكل) বলে। তাওয়াকুল বা নিশ্চেষ্ট বসে থেকে আল্লাহর উপর ভরসা যাহির করা আল্লাহর দ্বীনের কোন কিছুতেই পড়ে না (আল্লাহর উপর ভরসা)।
এক সাহাবী একবার রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি আমার উট গুলো চরাতে চাই। নামাজের সময় ওই উটগুলো বেঁধে রাখব না ছেড়ে রেখে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবো? রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন, ‘প্রথমে তার গোছা রশি দিয়ে বাঁধ তার পর তাওয়াক্কুল করো (তিরমিযী)।’
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হিজরতের ঘটনা থেকে তাওয়াক্কুলের শিক্ষাটি চমৎকারভাবে বোঝা যায়। তিনি যে আল্লাহর সাহায্য পাবেন এ বিষয়ে কোনই সন্দেহ ছিলো না। কিন্তু তাই বলে তিনি হাত গুটিয়ে বসে থাকেন নি। হঠাৎ করেই একদিন ‘আল্লাহর নামে বের হলাম’ বলে বেরিয়ে যান নি। যথারীতি তিনি যাত্রার জন্য ঘোড়া ঠিক করে রেখেছিলেন। সঙ্গী কে হবে তাও স্থির করেছিলেন। হিজরতের সময় তিনি একজন পথপ্রদর্শক (গাইড) সাথে নিয়েছিলেন, যে তাঁকে পথ দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁর যাত্রাপথে কোন পদচিহ্ন যাতে না থাকে তিনি সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলেন। তিনি যাত্রার জন্য এমন সময় বেছে নিয়েছিলেন যখন লোকজন সাধারণতঃ সজাগ থাকে না। আবার জনগণ সচরাচর যে পথ দিয়ে চলাচল করে তিনি তা বাদ দিয়ে অন্য পথ ধরেছিলেন। এমন কি কাফেররা তাদের তালাশ করে ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোথায় লুকিয়ে থাকবেন এসব কিছুই আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছিলেন। এসব কিছুই উপায়-উপকরণ ও মাধ্যম অবলম্বনের অন্তর্গত। অর্থাৎ তাঁরপক্ষে সম্ভবপর সব ধরনের সতর্কতা ও গোপনীয়তা তিনি অবলম্বন করেছিলেন। অতঃপর যেগুলো তার সাধ্যের বাইরে ছিল সেগুলোর জন্য তিনি আল্লাহর উপর নির্ভর করলেন।
ওহুদ যুদ্ধে রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটার উপর আর একটা অর্থাৎ দু’টো বর্ম গায়ে দিয়েছিলেন। সায়েব ইবনে ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, ‘ওহোদ যুদ্ধের দিনে রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’টি বর্ম পরে জনসমক্ষে এসেছিলেন (আহমাদ)।’ রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্যও যুদ্ধের পোশাকের ব্যবস্থা করেছেন (ইবনে হিববান )।’
মক্কা বিজয়ের দিনে তিনি শিরস্ত্রাণ ব্যবহার করেছিলেন। আনাস বিন মালেক রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, ‘রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয় দিবসে যখন মক্কায় প্রবেশ করেন তখন তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল (বুখারী)।’
হযরত মারইয়াম আলাইহিসসাল্লামের ঘটনা দেখুন। সন্তান প্রসবের পর তিনি যে খেজুর গাছের নিচে বসে ছিলেন আল্লাহ তা’য়ালা তাঁকে সেই খেজুর গাছ ধরে ঝাঁকি দিতে বলেছিলেন, যাতে তাঁর সামনে খেজুর ঝরে পড়ে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কান্ড ধরে নাড়া দাও। সেটি তোমার উপর পাকা খেজুর নিক্ষেপ করবে (সূরা মারইয়াম : ২৫)।’
এহেন দুর্বল মহিলা কিভাবে মযবূত ও শক্ত খেজুর গাছ ধরে এমনভাবে ঝাঁকি দিল যে টপটপ করে খেজুর ঝড়ে পড়ল? এই মহীয়সী মহিলার ঘটনা দ্বারা আল্লাহ তা’য়ালা আমাদেরকে উপকরণ গ্রহণের গুরুত্ব শিক্ষা দিয়েছেন- চাই সেসব উপকরণ লঘু ও দুর্বল হোক। কেননা এই সতী-সাধ্বী মহিলার সেই মুহূর্তে এরূপ দুর্বল ধরনের কাজ করা ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না।
আল্লাহ তা’য়ালার জন্য কোন মাধ্যম ছাড়াই খেজুর নীচে ফেলা অবশ্যই সম্ভব ছিল। কিন্তু যেহেতু কোন কিছু পেতে হ’লে মাধ্যম একটি জাগতিক নিয়ম হিসাবে রয়েছে, সেহেতু আল্লাহ মারিয়াম আলাইহিসসাল্লামকে কান্ড ধরে ঝাঁকি দিতে বলেছিলেন। কিন্তু যখন তিনি আল্লাহর উপর যথাযথভাবে ভরসা করেছিলেন এবং তাঁর দুর্বল পদ্ধতি কাজে লাগিয়েছিলেন তখন আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা ফলবতী করেছিলেন এবং ফলগুলোকে তাঁর নাগালের মধ্যে এনে দিয়েছিলেন।
অতএব, তাওয়াক্কুলের হাকীকত বা মূল কথা হ’ল সর্বাবস্থায় অন্তরে একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করা, সেই সাথে প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ ব্যবহার করা এবং পরিপূর্ণ বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহই একমাত্র স্রষ্টা, তিনিই জীবন, মৃত্যু ও রিযিকদাতা দাতা। তিনি ছাড়া যেমন কোন ইলাহ বা উপাস্য নেই, তেমনি তিনি ছাড়া কোন প্রতিপালক নেই। 
মনে রাখতে হবে, ইসলাম রোগব্যাধি প্রতিরোধে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে। বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে আমরা প্রিভেনটিভ অ্যাকশান (চৎবাবহঃরাব ধপঃরড়হ) বলি, যা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। যেমন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা বিশেষ করে নিজের চারিদিকের পরিবেশ, শরীর, দাঁত ও মুখ সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। খাওয়ার আগে ও পরে হাত ধৌত করা। খাবার ও পানীয় ঢেকে রাখা। খাবার ও পানীয়ে ফুঁ না দিয়ে খাবার শুরু করা। খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিমিত মাত্রায় খাদ্য গ্রহণ করা এবং বিভিন্ন পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধী বিভিন্ন খাদ্য যেমন, মধু ও কালিজিরা ইত্যাদি গ্রহণের প্রতি ইসলামে নির্দেশ এসেছে।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মহান আল্লাহ্ তা’য়ালার উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস রেখে আমাদেরকে সর্বোচ্চ সাবধানতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন এবং প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ গ্রহণ যেমন, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা, পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নিয়মিত হাত ধোয়া, প্রয়োজনীয় ঔষধ, ভ্যাক্সিন ও চিকিৎসা গ্রহণ করা ইত্যাদি। খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিমিত মাত্রায় এবং বিভিন্ন পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা। এতে কোন ত্র“টি না রাখা। মনেরাখতে হবে, সবধানতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। বরং এটি তাওয়াক্কুলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। 
আল্লাহই সর্বজ্ঞ। মহান আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সঠিকটা বুঝার তৌফিক দান করুন। (আমিন)।
(লেখক: বায়োকেমিস্ট, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়, খুলনা।)


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

হজযাত্রীদের প্রথম দল মক্কায়

হজযাত্রীদের প্রথম দল মক্কায়

২৭ জুলাই, ২০২০ ০০:২০

এবার বাংলাতেও হবে হজের খুতবা

এবার বাংলাতেও হবে হজের খুতবা

২৬ জুলাই, ২০২০ ০০:৩৬

কুরবানি ও গুরুত্বপুর্ন আমল

কুরবানি ও গুরুত্বপুর্ন আমল

১১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০

পবিত্র জিলকদ  মাস শুরু আজ

পবিত্র জিলকদ  মাস শুরু আজ

২৩ জুন, ২০২০ ০০:০০





জুমাতুল বিদার গুরুত্ব

জুমাতুল বিদার গুরুত্ব

২২ মে, ২০২০ ০১:১৪





ব্রেকিং নিউজ











শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

০৮ অগাস্ট, ২০২০ ০১:০৫