খুলা | শনিবার | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

আইসিইউ সংকটে খুমেক হাসপাতাল, ভবন থাকলেও নেই কোন কার্যক্রম : দুর্ভোগে রোগীরা

রামিম চৌধুরী | প্রকাশিত ২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:২৫:০০


খুলনা বিভাগ তথা দক্ষিণ-পশ্চিমঅঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র খুলনা মেডিকেল কলেজ। বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজারো মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে এ হাসপাতালে। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের পাঠানো হয় খুমেক হাসপাতালে। কিন্তু নাজুক অবস্থা হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের। করোনা হাসপাতালে ১০টি এবং সাধারণ রোগীদের জন্য মাত্র ৪টি আইসিইউ শয্যা দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। আইসিইউ সেবা না পেয়ে ব্যয়বহুল জেনেও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ছুটছেন অনেক সাধারণ মানুষ। 
এদিকে খুমেক হাসপাতাল প্রাঙ্গনে নির্মাণ করা হয়েছে দ্বিতল বিশিষ্ট আইসিইউ ভবন। যা ২০১৮ সালে সরকারের পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। হস্তান্তরের পর প্রায় ৩ বছর কেটে গেলেও পূণাঙ্গ চালু হয়নি আইসিইউ ভবন। আইসিইউ কার্যক্রম পরিচালনা করার বিপরিতে ভবনটিতে চলছে নানা কার্যক্রম। গত বছর খুলনায় ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব বাড়লে ভবনটিকে বানানো হয় ডেঙ্গু ইউনিট। আবার বর্তমানে ভবনটি ব্যবহার করা হচ্ছে করোনার আইসোলেশন কেন্দ্র হিসেবে। 
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, দুইতলা ভবনের ২য় তলায় ৫টি কেবিন, ১০টি আইসিইউ শয্যা ও ১৬টি পোস্ট অপারেটিভ শয্যা চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও এখনও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়াও আইসিইউ চালু করার জন্য ২০ জন চিকিৎসকসহ ১শ’ ৪৪ জন লোকবল নিয়োগের জন্য কয়েকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়। কারণ আইসিইউ পরিচালনা করতে গেলে সকল সরঞ্জামের সাথে সাথে অনেক চিকিৎসক ও লোকবল প্রয়োজন হয়। 
খুমেক হাসপাতালের এনেস্থসিয়লজি ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডাঃ ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ সময়ের খবরকে বলেন, এটি বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল। এখানে আইসিইউ ভবনটি চালু হওয়া অতি জরুরি। বর্তমানে যেখানে সাধারন রোগীদের আইসিইউ সেবা দেওয়া হচ্ছে সেখানে শয্যা আছে মাত্র ৪টি। তারপরও প্রয়োজনের তাগিদে একই সুবিধা দিয়ে বেশ কয়েকজন রোগীকে আমরা আইসিইউ সেবা দিয়ে থাকি। করোনা হাসপাতালে যে আইসিইউ শয্যা ব্যবহার করা হয় তা সাধারণ রোগীদের জন্য কোনভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। তাই সাধারণ রোগীদের জন্য খুমেক হাসপাতালে আইসিইউ বিভাগটি ঢেলে সাজানো অতি জরুরি বলে মনে করছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নতুন ভবননের ২য় তলায় আইসিইউ বিভাগের তৈরির শুধুমাত্র কয়েকটি শয্যা এবং কয়েকটি ভেন্টিলেটর এসেছে। শুধুমাত্র এইগুলো দিয়ে আইসিইউ বিভাগ চালু করা কোন ভাবেই সম্ভব না। ঐ ভবনে আগে পাইপ লাইন ওয়ার্ক করা দরকার। এছাড়াও আইসিইউ বিভাগ চালু করতে বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে বলে জানান ডাঃ ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ। 
হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মুন্সি মোঃ রেজা সেকেন্দার বলেন, আইসিইউ ভবনের ১ম তলায় করোনা হাসপাতাল ও ২য় তলায় আইসিইউ বিভাগ কারার জন্য কার্যক্রম চলছে। লিখিতভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে বর্তমানে রোগীর চাপ কম থাকায় হাসপাতালে আইসিইউ নিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে না হলেও এর সংখ্যা বাড়ানো দরকার বলে মনে করছেন পরিচালক ডাঃ মুন্সি মোঃ রেজা সেকেন্দার। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:২৬













ব্রেকিং নিউজ

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:২৬