খুলা | বুধবার | ০২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ  ছাড়া ওষুধ না খাওয়ার আহ্বান 

খুলনায় বাড়ছে মৌসুমী জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা 

রামিম চৌধুরী | প্রকাশিত ৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:২১:০০


হেমন্ত কাল শেষ হতে না হতেই আভাস পাওয়া যাচ্ছে ঠান্ডার। এ সময়ে দিনের গরম আর রাতের শীতল আবহাওয়া মিলিয়ে অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ জ্বর, কাশি, সর্দিতে। যাকে অনেকেই মৌসুমী জ্বর হিসাবে চেনেন। মৌসুম পরিবর্তনের এ সময় জ্বরের প্রবণতা বাড়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু আগের তুলনায় বদলেছে বর্তমান প্রেক্ষাপট। করোনাকালে জ্বর মানেই আতঙ্ক, আর এখনও শেষ হয়নি ডেঙ্গু মৌসুম। তাই মৌসুমী জ্বর হলেও বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।
শীতের শুরুতেই খুলনার প্রায় প্রতিটি ঘরেই বাড়ছে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সাথে সথে বিভিন্ন হাসপাতালে বহির্বিভাগে লাইন পড়ছে মৌসুমী জ্বরে আক্রান্ত রোগীর। তবে জ্বরে আক্রান্ত হলেই মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই সাধারণ ফার্মেসী থেকে ওষুধ নিচ্ছেন। করোনা, ডেঙ্গু ও মৌসুমী জ্বরের লক্ষণ একই রকম হওয়ায় মাস্ক ব্যবহারের প্রতি জোর দেওয়া ও চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া কোন প্রকার ওষুধ না খাওয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিষেশজ্ঞরা। 
খুমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ আমির হোসেন এ বিষয়ে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে জ্বর হলেই আগে ধরে নেওয়া হচ্ছে করোনা। তাই সেই মোতাবেক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে রোগীদের। কারো জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা, মাস্ক পরা ও ঘরের বাইরের বের না হওয়ার প্রতি সকলের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন ডাঃ আমির হোসেন। 
খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও বিএমএ খুলনার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদি নেওয়াজ বলেন, হেমন্তের শেষের দিকে এবং শীতের শুরুতে সাধারনত মানুষ মৌসুমী জ্বরে আক্রান্ত হয়ে থাকে। হঠাৎ করে গরম থেকে ঠান্ডা আবার ঠান্ডা থেকে গরমের মধ্যে না যাওয়া। এছাড়াও অগ্রিম সতর্কতা হিসাবে বেশি করে পানি খেতে হবে এবং লেবু ও লেবুর পানি খেতে হবে। আর জ্বর হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করার অহ্ববান জানান তিনি। 
তিনি আরও বলেন, আমরা যেন কোন ভাবেই করোনা আর সাধারণ জ্বর মিলিয়ে না ফেলি। এর জন্য সব থেকে বেশী সতর্ক থাকতে হবে চিকিৎসকদের। করোনা, ডেঙ্গু ও মৌসুমী জ্বরের লক্ষণ প্রায় একই রকম হওয়ায় চিকিৎসকদের খুব খেয়াল করে রোগীদের সেবা দিতে হবে এবং রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিতে আসতে বলতে হবে। কারণ গত বছর ডেঙ্গু ও মৌসুমী জ্বর থাকলেও করোনার প্রকোপ ছিলো না। কিন্তু এ বছর তিনটা রোগ একই সাথে হচ্ছে। তাই রোগ নির্ধারণ করবে চিকিৎসকরা এবং রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিবেন। আর কেউ যদি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে না পারেন তাহলে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চিকিৎসা নিতে পারেন। এছাড়াও মাস্ক ব্যবহারের প্রতি জোর দেওয়া ও চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া কোন প্রকার ওষুধ না খাওয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডাঃ মেহেদি নেওয়াজ।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ