খুলা | বুধবার | ০২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশনা মানছেনা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা! 

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আলু, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম 

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:২৭:০০


কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণে আসছেনা নিত্যপ্রয়োজনীয় আলু, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম। কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশনা মানছে না সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা। সরকার আলুর দর পুনঃনির্ধারণ করে  দেওয়ার সাতদিন অতিবাহিত হলেও দেশের কোথাও সেই নির্ধারিত দরে আলু বিক্রি হচ্ছেনা। গণমাধ্যমে প্রচার হলেও বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। সরকারের বিপণন প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এক সপ্তাহের আগে গত শুক্রবার তাদের দৈনন্দিন বাজার দরের প্রতিবেদনে জানিয়েছে এখনো প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এদিকে ৯০ টাকা কেজি দরের পেঁয়াজ ৯৫ টাকা দরে এবং কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 
অভিযোগ উঠেছে হিমাগারগুলোতেও সরকার নির্ধারিত দরে আলু বিক্রি হচ্ছেনা। তাহলে কাদের স্বার্থে আবার আলু দর পুনঃনির্ধারণ করা হলো? আগের নির্ধারিত দর থেকেই বা কেন সরে আসা হলো? এসব প্রশ্ন এখন সংশ্লিষ্টদের। গত কয়েক বছর ধরে আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা আলুর দাম পাননি। এবার চাহিদার কারণে দাম বেড়েছে। আর হিমাগারে রাখা সিংহভাগ আলুই কৃষকের। তাই কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করেই আগের নির্ধারিত দাম থেকে সরে আসা হয়েছে। আলুর দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু আলুর এই বাড়তি দরের কতটুকু সুবিধা পাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। কিংবা হিমাগারে আদৌ তাদের কোনো আলু আছে কি? 
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হিমাগারে প্রান্তিক কৃষকের খাদ্য হিসেবে বিক্রি করার মতো কোনো আলু নেই। যা আছে তা বীজ আলু। কারণ, প্রান্তিক কৃষকেরা এতই গরীব যে, তারা ঋণ করে চাষাবাদ করেন। ফলে নতুন আলু ওঠার পরপরই তা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। হিমাগার মালিক ও ব্যবসায়ীরা এই আলু কিনে হিমাগারে মজুত রাখেন। 
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রতিকেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয় মাত্র ৮ টাকা ৩২ পয়সা। অথচ সেই আলু কিছুদিন আগে বাজারে বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। গতকাল বৃহস্পতিবারও নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে আলু বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকা দরে।  
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যম কর্মীকে দেয়া ভাষ্যমতে, ‘এ বছর আলুর বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকরা। তিনি বলেন, এখনতো প্রান্তিক কৃষকের হাতে আলু নেই। আলুর দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ, যারা শ্রমিক তাদের অনেক কষ্ট হয়েছে বলে জানান তিনি। কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্ধারিত দরেই ব্যবসায়ীদের আলু বিক্রি করতে হবে।’  
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ