খুলা | শনিবার | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নসহ নানা অভিযোগ

খুলনা-সাতক্ষীরার ৬শ’ ফার্মেসিকে শোকজ, জনবল সংকটে অভিযান কম ওষুধ প্রশাসনের 

এন আই রকি | প্রকাশিত ২২ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০৫:০০


অলিগলিতে ওষুধের দোকান। মুদি দোকানেও মিলছে ওষুধসহ স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম। নেই আইনগত বৈধতা। লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন অনেকে। কেউবা লাইসেন্স থাকলেও করছেন না নবায়ন। করোনার প্রার্দুভাবের পর বিক্রি শুরু হয়েছে নকল, ভেজাল, মানহীন, মেয়াদউত্তীর্ণ ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম। যার ফলশ্র“তিতে অভিযান করে নেওয়া হয়েছে ব্যবস্থা। তবে জনবল সংকটের কারণে অভিযান কম। সম্প্রতি খুলনা-সাতক্ষীরার ৬শ’ ফার্মেসিকে শোকজ করেছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এ সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লাইসেন্স নবায়ন, লাইসেন্সের ত্র“টিসহ রয়েছে নানান অভিযোগ। 
জানা যায়, মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র ময়লা পোতা মোড়, নগরীর হেরাজ মার্কেট, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহিদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালসহ দৌলতপুর বাজার, ফুলবাড়িগেট ও শিরোমনি বাজার, খালিশপুরে ওষুধের ব্যবসা চলছে জমজমাট। এছাড়া উপজেলায় পর্যায়ে এখন মোড়ে মোড়ে দেখা মেলে ফার্মেসির। করোনার প্রাদুর্ভাবের পর এসব স্থানে ব্যবসা আরও বেড়েছে। তবে বিক্রি করা ওষুধসহ স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জামের মান নিয়ে রয়েছে নানান প্রশ্ন। 
বিশেষ করে হেরাজ মার্কেট ও ময়লাপোতা মোড়ে একাধিকবার অভিযান করার পর মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায় করায় করা হয়েছে একাধিকবার জরিমানা। তবু বন্ধ হয়নি ব্যবসায়ীদের ধরন। এদিকে ড্রাগ লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের খুলনা জেলার রয়েছে নানান অভিযোগ। যার প্রেক্ষিতে ওষুধ বিক্রির ‘ড্রাগ লাইসেন্স’ প্রদানে অনিয়মের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর নগরীর সোনাডাঙ্গা ১ম ফেস আবাসিক এলাকার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে অভিযান করেন দুদক।
বাংলাদেশ কেমিস্ট এ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির খুলনা জেলার সহ-সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক এস এম কবির উদ্দিন বাবলু জানান, করোনার পর খুলনার অলিগলিসহ উপজেলা পর্যায়ে নকল, ভেজাল এবং মানহীন ওষুধ বিকিকিনি হচ্ছে। তাছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স না করেই ওষুধের ব্যবসা করছে অনেকে। এ বিষয়ে ড্রাগ সুপারের তেমন কোন অভিযান নেই। ওষুধ ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত অভিযান করা দরকার। যে অভিযান করা হচ্ছে তা লোক দেখানো।  
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের খুলনার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মনির উদ্দিন আহমদ জানান, খুলনা ও সাতক্ষীরার জেলার ৬শ’ ফার্মেসিকে শোকজ করা হয়েছে। এদেও মধ্যেই অনেকেই লাইসেন্স নবায়ন করেছেন। বাগেরহাট জেলার দায়িত্ব সম্প্রতি পাওয়ায় সেখানে এখনও কোন ফার্মেসিকে শোকজ করা হয়নি। 
তিনি বলেন, খুলনায় ৪ হাজার ১৭২টি, বাগেরহাটে ১ হাজার ৬৩২টি এবং সাতক্ষীরায় ২ হাজার ৮৫৬টি বৈধ ফার্মেসি রয়েছে। আমাদের কাছে অভিযোগ আসার সাথে সাথেই আমরা অভিযান করে জরিমানা এবং মামলা দায়ের করছি। সর্বশেষ ১৭ নভেম্বও পাইকগাছায় ৫টি ফার্মেসিতে অভিযান করা হয়েছে। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:২৬













ব্রেকিং নিউজ

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:২৬