খুলা | শনিবার | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭ |

Shomoyer Khobor

খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অমান্য

বন্ধের নোটিশ পাওয়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চলছে নানা কার্যক্রম

রামিম চৌধুরী | প্রকাশিত ২২ নভেম্বর, ২০২০ ০০:৩২:০০

খুলনায় নিয়ম-বহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে অর্ধ-শতাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সেই সূত্র ধরেই নিয়ম-বহির্ভূত এ সব প্রতিষ্ঠানে অভিযান শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে নানা সমস্যার অভিযোগে বন্ধ করা হয়েছে ৩২টি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু স্বাস্থ্যের এই নির্দেশনা অমান্য করে চলছে বন্ধের নোটিশ পাওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। 
সর্বশেষ গত ১৬ নভেম্বর নগরীর শামসুর রহমান রোডের নিয়ম বহির্ভূতভাবে পরিচালনা করার দায়ে ৬টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে চলছে প্যাসিফিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কমপেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মিশু ক্লিনিক ও হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক ও কনসালটেন্সি সেন্টার নামে এ ৬ প্রতিষ্ঠানই। 
এর আগে নগরীতে আরও ২৬টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের নোটিশ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু সেখানেও একই অবস্থা। গতকাল শনিবার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সরেজমিনে দেখা যায় এ চিত্র। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পাওয়া যায়নি তাদের ব্যবস্থাপকদের। 
গতকাল শনিবার বিকেল ৩টায় নগরীর শামসুর রহমান রোডের মিশু ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় প্রচুর রোগীর সমাগম। কিন্তু পাওয়া যায়নি ব্যবস্থাপককে। সেখানকার কর্মচারীরা কোন প্রকার কথা বলতে রাজি হননি সময়ের খবরের প্রতিবেদকের সাথে। প্যাসিফিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে পাওয়া গেলো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক অসিত বরণ বিশ্বাসকে। তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে এসি (এয়ার কন্ডিশন) ছিল না বলে বন্ধ করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন আমরা এসি লাগিয়েছি এবং লাল হলুদ ও সবুজ কালারের ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করেছি। তবে বন্ধের নোটিশের পরে প্রতিষ্ঠান চালানোর কোন অনুমতি নিয়েছেন কিনা তা জানতে চাইলে পাওয়া যায়নি কোন সদুত্তর। কেয়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে গিয়েও পাওয়া যায়নি ব্যবস্থাপককে। কিন্তু চলছে তাদের সকল কার্যক্রম। এসব ছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া বন্ধের নোটিশ পাওয়া ৩২টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই খোলা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। 
খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা সময়ের খবরকে বলেন, যে সব অভিযোগের কারনে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়েছে, তারা সব কিছু ঠিক করার পর আমরা তদন্ত করে দেখবো। তদন্ত সাপেক্ষে কোন প্রতিষ্ঠান চালানো যাবে আর কোনটা চালানো যাবে না তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু স্বাস্থ্যের নোটিশপ্রাপ্ত কেউই প্রতিষ্ঠান চালাতে পারবে না। এ ব্যাপারে পরিদর্শনে যাবেন বলে জানান স্বাস্থ্যের এ শীর্ষ কর্মকর্তা।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:২৬













ব্রেকিং নিউজ

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস  ডিসেম্বর

০৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:২৬