খুলনা | শনিবার | ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৪ বৈশাখ ১৪২৮ |

Shomoyer Khobor

শাবান মাস-শবে বরাতরে তাৎর্পয ও গুরুত্ব

প্রফসের ড. মুহাম্মদ ইউসুফ আলী | প্রকাশিত ২৯ মার্চ, ২০২১ ০১:১০:০০

হজিরি ক্যালন্ডোররে অষ্টম মাস হলো ‘শাবান’ মাস। শাবান মাস বশিষে র্মযাদা ও ফজলিতর্পূণ। এ মাস রমজানরে প্রস্তুতরি মাস। এ মাস একদকিে যমেন মুসলমি স্বাতন্ত্র ও ইসলামী ঐক্যরে মাস, তমেনি এ মাসে রয়ছেে মুক্তরি এক বশিষে রজনী বা শবে বরাত। হজিরতরে দড়ে বছর পর পুরাতন কবিলা ফলিস্তিনিরে ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’-এর পরর্বিতে মক্কা শরফিরে কাবা শরফি কবিলা হসিবেে ঘোষতি ও নর্ধিারতি হয় এই শাবান মাসইে।  হাদসিরে ভাষ্য অনুসার,ে রজব আল­াহ তাআল­ার মাস, শাবান নবীজি (সাঃ)-এর মাস, রমজান হলো উম্মতরে মাস। রসুলুল­াহ (সাঃ) শাবান মাসে সবচয়েে বশেি নফল ইবাদত করতনে এবং রোজা রাখতনে। 
শাবানরে রোজার গুরুত্ব : রমজান মাসরে র্পূব প্রস্তুতি হসিবেে শাবান মাসরে নফল রোজা অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ। সহহি হাদসিে আয়শিা (রাঃ) বলনে, রসুলুল­াহ (সাঃ) কে আমি শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে এত অধকি নফল রোজা পালন করতে দখেনি।ি তনিি যনে গোটা শাবান মাসই রোজা পালন করতনে। তনিি সামান্য (কয়টি দনি) ব্যতীত গোটা শাবান মাস রোজা রাখতনে (সহহি মুসলমি)। মহানবী (সাঃ)  এক ব্যক্তকিে বললনে, তুমি কি এ মাসরে র্অথাৎ শাবান মাসরে মধ্য ভাগে কছিু দনি রোজা রখেছেো? সে বলল, না। তনিি তাকে বললনে, রমজানরে রোজা পালন শষে করে তুমি এক দনি বা দুই দনি রোজা রাখবে (মুসলমি : ২৬২৪)। আর এক হাদসিে এসছে,ে আয়শিা (রাঃ) থকেে র্বণতি, রসুলুল­াহ (সাঃ) শাবান মাস ব্যতীত বছররে অন্য কোন মাসে এত অধকি রোজা পালন করতনে না। তনিি বলতনেঃ “তোমরা যথাসাধ্য অধকি পরমিাণে ভাল কাজ কর। কারণ আল­াাহ তা’আলা সওয়াব দতিে কখনও ক্লান্ত হন না বরং তোমরাই আমল করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়” (মুসলমি : ২৫৯৪)। 
শবে বরাতরে তাৎর্পয ও গুরুত্ব : ফারসি শব র্অথ রাত, আর বারাআত র্অথ মুক্ত।ি আরবি মাস শাবানরে চৌদ্দ তারখি রাতে মহান আল­াহ তায়ালা অসংখ্য মানুষকে মাফ করে দনে। এ কারণে এই রাতকে শবে বরাত বা মুক্তরি রজনী বলা হয়। শববেরাতকে কন্দ্রে করে একশ্রণেীর মানুষ রয়ছেে বাড়াবাড়তিে লপ্তি । তারা এ রাতকে উপলক্ষ্য বানয়িে নানা অনসৈলামকি কাজর্কম ও রসম-রওেয়াজে থাকে ব্যস্ত । হক্কানি উলামায়ে করোম সব সময়ই এসবরে প্রতবিাদ করছেনে এবং এখনও করছনে। ইদানীং আবার একশ্রণেরি মানুষরে মধ্যে দখো যাচ্ছে ছাড়াছাড়রি প্রবণতা। তাদরে দাবি হলো,‘ইসলামে শববেরাত বলে কছিু নইে। এ বষিয়ে যত রওেয়ায়তে আছে সব মওযু অথবা যয়ফি। তাই এসব রওেয়ায়তে অনুযায়ী আমল করা এবং শববেরাতকে বশিষে ফজলিতর্পূণ রাত মনে করা শরয়িতরে দৃষ্টতিে সর্ম্পূণ নাজায়জে।’  বাস্তব কথা হলো, এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ওি যমেন সঠকি নয়, তমেনি আবার ছাড়াছাড়ওি সঠকি নয়।  শববেরাত সর্ম্পকে সঠকি ও ভারসাম্যর্পূণ অবস্থান হলো, এ রাতরে ফজলিত সহহি হাদসি দ্বারা প্রমাণতি। সম্মলিতি বা জামায়াতরে কোনো রূপ না দয়ি,ে ওয়াজবি, ফরজরে মত গুরুত্ব প্রদান না  করে এবং এই রাত উদ্যাপনরে বশিষে কোনো পদ্ধতি উদ্ভাবন না করে বশেি ইবাদত করাও নর্ভিরযোগ্য হাদসি দ্বারা প্রমাণতি। যমেন বশিষ্টি সাহাবি মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) বলনে, নবী করমি (সাঃ) এরশাদ করছেনে, ‘আল­াহ তায়ালা র্অধ-শাবানরে রাতে (শাবানরে চৌদ্দ তারখি দবিাগত রাত)ে সৃষ্টরি দকিে (রহমতরে) দৃষ্টি দনে এবং মুশরকি ও বদ্বিষে পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দনে।’ এই হাদসি দ্বারা প্রমাণ হচ্ছে য,ে এ রাতে আল­াহ তায়ালার পক্ষ থকেে রহমত ও মাগফরিাতরে দ্বার ব্যাপকভাবে উন্মুক্ত হয়। কন্তিু শরিকি কাজে লপ্তি ব্যক্তি এবং অন্যরে ব্যাপারে হংিসা-বদ্বিষে পোষণকারী ব্যক্তি এই ব্যাপক রহমত ও সাধারণ ক্ষমা থকেওে বঞ্চতি থাক।ে যখন কোনো বশিষে সময়রে ব্যাপারে আল­াহ তায়ালার পক্ষ থকেে রহমত ও মাগফরিাতরে ঘোষণা হয় তখন তার র্অথই এই হয় য,ে এই সময়ে এমন সব নকে আমলরে ব্যাপারে যতœবান হতে হব,ে যার মাধ্যমে আল­াহর রহমত ও মাগফরিাতরে উপযুক্ত হওয়া যায়। আর ওইসব গুনাহ থকেে বরিত থাকতে হব,ে যার কারণে মানুষ আল­াহ তায়ালার রহমত ও মাগফরিাত থকেে বঞ্চতি হয়। যহেতেু উপরোক্ত হাদসি এবং অন্যান্য হাদসিে র্অধ-শাবানরে রাতে ব্যাপক মাগফরিাতরে ঘোষণা আছ,ে তাই এ রাতটি অনকে আগে থকেইে শবে বরাত তথা ‘মুক্তরি রজনী’ নামে প্রসদ্ধি। কনেনা, এ রাতে গোনাহ থকেে ও গোনাহর অশুভ পরণিাম থকেে মুক্তি পাওয়া যায়। যদি শবে বরাতরে ফজলিতরে বষিয়ে দ্বতিীয় কোনো হাদসি নাও থাকত, তাহলওে এই হাদসিটইি এ রাতরে ফজলিত সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এবং এ রাতে মাগফরিাতরে উপযোগী নকে আমলরে গুরুত্ব প্রমাণতি হওয়ার জন্য যথষ্টে হতো। অথচ হাদসিরে কতিাবগুলোতে নর্ভিরযোগ্য সনদে আরও একাধকি হাদসি র্বণতি হয়ছে।ে হযরত আয়শো (রাঃ) বলনে, একবার আল­াহর রসুল (সাঃ) রাতে নামাজে দাঁড়ালনে এবং এত র্দীঘ সজেদা করলনে য,ে আমার ধারণা হলো, তনিি হয়তো ইন্তকোল করছেনে। আমি তখন উঠে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দলিাম। তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। যখন তনিি সজেদা থকেে উঠলনে এবং নামাজ শষে করলনে, তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললনে, হে আয়শো অথবা বলছেনে, ও হুমায়রা, তোমার কি এই আশঙ্কা হয়ছেে য,ে আল­াহর রসুল তোমার হক নষ্ট করবনে? আমি উত্তরে বললাম, না, ইয়া রসুলাল­াহ, আপনার র্দীঘ সজেদা থকেে আমার আশঙ্কা হয়ছেলি, আপনি ইন্তকোল করছেনে কি না। নবীজি জজ্ঞিসে করলনে, তুমি কি জান এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল­াহ ও তাঁর রসুলই ভালো জাননে। তখন তনিি ইরশাদ করলনে ‘এটা হলো র্অধ-শাবানরে রাত। আল­াহ তায়ালা র্অধ-শাবানরে রাতে তাঁর বান্দার প্রতি মনোযোগ দনে এবং ক্ষমা র্প্রাথনাকারীদরে ক্ষমা করনে এবং অনুগ্রহ র্প্রাথীদরে প্রতি অনুগ্রহ করনে আর বদ্বিষে পোষণকারীদরে ছড়েে দনে তাদরে অবস্থাতইে।’ (বাইহাকি ৩/৩৮২-৩৬৮)।  এই হাদসি দ্বারা প্রমাণতি হয়, এ রাতে র্দীঘ সজেদায় র্দীঘ নফল নামাজ পড়া শরয়িতরে দৃষ্টতিে কাম্য। এছাড়া কুরআন তলোওয়াত করা, দরুদ শরীফ পড়া, ইস্তগেফার করা এবং দোয়া করা যায়। ঘুমানোর প্রয়োজন হলে ঘুমানো। এমন যনে না হয় য,ে সারা রাতরে র্দীঘ ইবাদতরে ক্লান্ততিে ফজররে নামাজ জামায়াতরে সঙ্গে পড়া সম্ভব হলো না। পররে দনি রোজা রাখা। আল­াহ তায়ালা আমাদরে সবাইকে শাবান মাসে সব গুনাহ ও পাপরাশি থকেে পবত্রি হয়ে যথাযথভাবে রমজান মাসকে বরণ করার তাওফকি দান করুন। 
(লখেক : মৎস্য-বজ্ঞিানী ও অধ্যাপক, খুলনা বশ্বিবদ্যিালয়)


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ









ঠাকুরবাড়ির কন্যা সন্তান

ঠাকুরবাড়ির কন্যা সন্তান

০৮ মার্চ, ২০২১ ০০:০০





ব্রেকিং নিউজ






করোনামুক্ত হলেন এমপি চুমকি

করোনামুক্ত হলেন এমপি চুমকি

১৭ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:১৫