খুলনা | শুক্রবার | ০৭ মে ২০২১ | ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ |

‘আমাদের লড়াই আলেম সমাজের বিরুদ্ধে নয়’

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১১ এপ্রিল, ২০২১ ০৭:৩১:০০

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বর্তমান হেফাজতের নেতৃত্ব ইসলামের হেফাজতকারী নয়। তারা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্টা বাস্তবায়নকারী। আমাদের লড়াই আলেম সমাজ কিংবা সাধারণ মাদ্রাসা ছাত্রদের বিরুদ্ধে নয়। যারা সম্মানিত আলেম সমাজ ও নিরীহ মাদ্রাসা ছাত্রদের লেলিয়ে দিয়ে সন্ত্রাস ও তাণ্ডব চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গতকাল শবিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে এস এম কালাম হোসেন এ কথা বলেন। 

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, আজকে যারা এই আলেম সমাজ ও কমলমতি মাদ্রাসা ছাত্রদের সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন, সেই মামুনুল হকের মতো দুশ্চরিত্রদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। কারণ এরা স্বাধীণতার সূর্বণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তারা প্রকৃত পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শুধু বঙ্গবন্ধুর বিরোধীরাই করছেন না, স্বাধীনতার বিরোধীতা করছেন। কারণ বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীনতা এক ও অভিন্ন শব্দ।

এসএম কামাল হোসেন বলেন, আজকে যারা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে নাশকতা করছেন, অরাজকতা করছেন তাদের কাছে প্রশ্ন, এই মোদি যখন ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন মামুনুল হকরা যে চার দলীয় জোটের সঙ্গে শরিক ছিলেন, সেই শরিক দল বিএনপি উৎসব করেছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। জামায়াতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত আমির মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যখন মোদি বাংলাদেশ সফরে আসেন, তখন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া লাইনে দাড়িয়ে দেখা করেছেন। ২০১৫ সালের ৭ জুন বিএনপি নেতা মঈন খান বলেছেন, ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছেন। বিএনপির আরেক নেতা বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহ বলেছিলেন, আমাদের নেত্রীর সঙ্গে ১৫ মিনিট রুদ্ধধার বৈঠক হয়েছে। কি কথা হয়েছে, তা বলবো না, তবে ভারতের জনগনের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের জনগনের নেতাদের এই সরকার (আওয়ামী লীগ) দেখা করতে দিতে চায়নি।

তিনি বলেন, সেই সময় যারা মোদির প্রশংসা করেছেন, এখন বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে যখন ভারতের রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে বাংলাদেশে এসেছে তখন জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য আমেল সমাজকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। সরকারকে বিব্রত করেছেন। থানায় হামলা করেছেন, সরকারি অফিসে লুটপাট করেছেন, অগ্মি সংযোগ করেছেন, রেল লাইনে আগুন দিয়েছেন। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয় এরা মোদির বিরোধীতা করতে চায়নি। সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন করতে চেয়েছে। বাংলাদেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি করতে চেয়েছে। ভারত বিরোধীতার নামে বাবু নগরী, মামুনুল হকরা ষড়যন্ত্র করছেন। এদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে রুখে দাঁড়াতে হবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ