খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৫ এপ্রিল ২০২৪ | ১১ বৈশাখ ১৪৩১

নকলার ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে তথ্য কমিশনের সুপারিশ

খবর প্রতিবেদন |
০৪:৪৫ পি.এম | ০২ এপ্রিল ২০২৪


তথ্য সরবরাহে সহযোগিতা না করে তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে শেরপুরের নকলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তথ্য কমিশন বাংলাদেশ।

আজ মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এই সুপারিশ করা হয়েছে।

তথ্য কমিশন বাংলাদেশ এর প্রধান তথ্য কমিশনার ড. আবদুল মালেক, তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক এবং মাসুদা ভাট্টি তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী শুনানি গ্রহণ করে এই আদেশ দেন।

এর আগে এদিন তথ্য সরবরাহে অসহযোগিতার অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তথ্য কমিশনে হাজির হন ইউএনও সাদিয়া।

তথ্য কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় গত ৭মার্চ প্রথম পৃষ্ঠার প্রথম কলামে ‘তথ্য চেয়ে আবেদন করে দেশ রূপান্তর সাংবাদিক জেলে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি তথ্য কমিশন বাংলাদেশ পর্যালোচনা করে স্বপ্রণোদিত অনুসন্ধান করে। আজ শুনানিতে নকলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও)বক্তব্য শুনেছে কমিশন। তথ্য প্রদানে অসহযোগিতা এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথ্য কমিশন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে।’

উল্লেখ্য, তথ্য কমিশন আজ ছয়টি অভিযোগের শুনানি করে ৫টির নিষ্পত্তি করেছে।

গত ৫ মার্চ ইউএনও কার্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা একটি প্রকল্পের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছিলেন সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানা। এ সময় আবেদন প্রাপ্তিস্বীকার অনুলিপি চান তিনি। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে অসদাচরণের অভিযোগে ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিনের নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিহাবুল আরিফ ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে রানাকে দণ্ডবিধির দুটি ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ