খুলনা | সোমবার | ২০ মে ২০২৪ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

খুলনায় ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড

তীব্র গরমে শরবত-পানি-ফল নিয়ে মানুষের কাছে ছুটছে তরুণরা

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৪৮ এ.এম | ২৫ এপ্রিল ২০২৪


তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে খুলনা। অসহ্য গরমে বিপাকে পড়েছে মানুষ। বুধবার বিকেল ৩টায় খুলনার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। আর সেই মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে একটু স্বস্তি দিতে পাশে দাঁড়িয়েছে খুলনার তরুণ সমাজ। তরুণরাই শরবত, পানি আর ফল নিয়ে ছুটছে সাধারণ মানুষের কাছে।
বুধবার নগরীর শিববাড়ি মোড়ে শরবত, স্যালাইন, তরমুজ আর শসা বিতরণ করে খুলনা ব্লাড ব্যাংক। আর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে শরবত বিতরণ করে আল ইদআহ ফাউন্ডেশন।
সাধারণ মানুষদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, গরমে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস নেমে এসেছে। সেই মুহূর্তে তরুণদের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। সমাজিক সকল সংগঠন ও বৃত্তবানরা যদি এভাবে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ায় তাহলে অনেক কিছুই করা সম্ভব।
খুলনা ব্লাড ব্যাংকের কোষাধ্যক্ষ মোঃ আসাদ শেখ বলেন, অসহ্য এই গরমে মানুষকে স্বস্তি দিতে আমাদের এই উদ্যোগ। অনেকেই আছে যারা চাইলেও এই গরমে বিশুদ্ধ পানি, শরবত, ফল কিনে খেতে পারেন না। এ ছাড়া শ্রমজীবী মানুষ গরমে অস্বস্তিতে রয়েছে। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো নগরীর শিববাড়ি মোড়ে পথচারী, রিকশা, ইজিবাইক, ভ্যান চালক, খেটে খাওয়া শ্রমজীবীসহ প্রায় ১৪০০ মানুষের মাঝে শরবত, স্যালাইন, তরমুজ ও শসা বিতরণ করা হয়েছে। যতোদিন এই অসহ্য গরম থাকবে, ততোদিন আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সামাজিক সংগঠন ‘আল ইদআহ’-এর সমন্বয়ক এমএ সাদী বলেন, অসহ্য গরমে আমরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ঠান্ডা পানি আর শরবত বিতরণ করে মানুষকে একটি স্বস্তি দেওয়া চেষ্টা করছি। এর আগে শিববাড়ি মোড়ে বিতরণ করেছি। আর আজ (গতকাল বুধবার) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে শিশু, বৃদ্ধসহ নানা বয়সের নারী-পুরুষের মাঝে শরবত বিতরণ করা হয়েছে। পথচারী, হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন, রিকশা-ইজিবাইক চালকরা শরবত খেয়ে স্বস্তি পেয়েছে, আর এতেই আমাদের তৃপ্তি। এভাবে আমরা মানুষের পায়ে থাকতে চাই।
খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সিনিয়র আবহাওয়াবিদ মোঃ আমিরুল আজাদ জানান, আজ (গতকাল বুধবার) খুলনায় ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মোংলায়। এছাড়া যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি, কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৪০ দশমিক ৮ ও খুলনার কয়রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ