খুলনা | মঙ্গলবার | ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৭ শ্রাবণ ১৪৩১

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরে উদ্‌যাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

খবর প্রতিবেদন |
০২:০১ পি.এম | ১৬ জুন ২০২৪


সৌদি আরবসহ আরব দেশসমূহের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় ৪০টি গ্রামে এবারও পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন হচ্ছে এক দিন আগে। আজ রোববার সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফের মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পিরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানি। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার মাঠে আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য গ্রামেও এই মতবাদের অনুসারীরা ঈদের নামাজ আদায় ও কোরবানি করেছেন। ঈদ ঘিরে এসব গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

সাদ্রা দরবার শরিফের পিরজাদা আরিফুল্লাহ চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তাঁরা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতের লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্‌যাপন হচ্ছে।

আরিফুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘রাসুল (সা.)-এর জন্মদিন পালনেও আমরা ব্যতিক্রম করি। সারা বিশ্বের মুসলমানদের একই দিনে রাসুলের জন্মদিন পালন করা উচিত। কারণ আমাদের এলোমেলো জন্মদিন পালন করতে গেলে অমুসলিমরা এটিকে হাস্যকর মনে করে। স্থানীয় সময় ঠিক রেখে বিশ্বের সব দেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো পালন করা উচিত বলে আমি মনে করি।

উল্লেখ্য, ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবসহ আরব দেশসমূহের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের নিয়ম চালু হয় এই গ্রামগুলোতে। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পির মাওলানা ইসহাক (রহ.) প্রথমে তাঁর নিজ গ্রামে এবং পরে তার অনুসারীরা এই নিয়ম মেনে রোজা রাখা শুরু করেন। সেই ধারাবাহিকতায় ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন হয়ে আসছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ