খুলনা | সোমবার | ২২ জুলাই ২০২৪ | ৭ শ্রাবণ ১৪৩১

প্রশ্নপত্র ফাঁস : পিএসসির দুই উপ-পরিচালকসহ ৫ কর্মকর্তা কর্মচারী বরখাস্ত

খবর প্রতিবেদন |
১১:০৯ পি.এম | ০৯ জুলাই ২০২৪


প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতার পাঁচজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাতে পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রকাশ ও বিতরণের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক অপরাধ সংগঠনের সহায়তা করার অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের পাঁচজন কর্মকর্তা/কর্মচারীকে সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার করে জেলে আটক রাখা হয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন ২০২৩ এর ১১ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের এবং মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবীর, উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপপরিচালক মো. আবু জাফর, অফিস সহায়ক মো. সাজেদুল ইসলাম, ডেসপাচ রাইডার মো. খলিলুর রহমানকে সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ধারা ৩৯ (২)অনুসারে ৯ জুলাই চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৯ জুলাই) পিএসসি চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনসহ গ্রেফতার হওয়া ১৭ আসামির মধ্যে সাতজন আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঢাকার পৃথক সাতটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার (৭ জুলাই) রাতে বিসিএসের প্রশ্নফাঁস নিয়ে পিএসসির বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেসবুকে সৈয়দ আবেদ আলীর পোস্টগুলো ভাইরাল হতে থাকে।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার (৮ জুলাই) রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরপর প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন— পিএসসির উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম, নোমান সিদ্দিকী, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন এবং বেকার যুবক লিটন সরকার।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ