খুলনা | সোমবার | ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ৩ ফাল্গুন ১৪৩২

তারেক রহমানকে বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছা বার্তা : কূটনীতিতে সাফল্য আসুক

|
১১:৩৮ পি.এম | ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


দেশবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের উষ্ণ অভিনন্দন বার্তা। তাঁরা সবাই বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক যাত্রাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার। বলার অপেক্ষা রাখে না, এসব ইতিবাচক বার্তা নতুন সরকারের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে ইতিবাচক নজির সৃষ্টি করেছেন, তা বিশ্বদরবারে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীকে। অভিনন্দনবার্তায় প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতি তিনি অকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্কের প্রতিশ্র“তিও দিয়েছেন তিনি।
প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস থেকে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর শুভেচ্ছাবার্তায় তারেক রহমানের সঙ্গে একযোগে কাজ করে আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। চীনের তরফ থেকে বলা হয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা করছে তারা। তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজু বাংলাদেশের নতুন সরকারের পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। ভারতের অন্যতম রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি মলি­কার্জুন খড়গে শুভেচ্ছাবার্তায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের জন্য ভারতবাসীর সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বাংলাদেশের ভাই-বোনকে’ শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ভারতের পক্ষ থেকে এমন ইতিবাচক মন্তব্য দুই দেশের চলমান সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দীর্ঘদিন থেকে ভারত বলে আসছে, বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে ইতিবাচক ধারা ফিরে আসবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তা সম্পন্ন হয়েছে। এখন ভারতের তরফ থেকে প্রয়োজন সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা। 
আমরা আশা করব, নতুন সরকার চলমান সংকট সমাধানে আন্তরিক হবে। বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বের যে ইতিবাচক ভাবধারা তৈরি হয়েছে, তা দেশের স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ