খুলনা | শুক্রবার | ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা

চার লেনের রাস্তা হওয়ার পথ অচিরেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে

এস.এম মজনু, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) |
১১:৩২ পি.এম | ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা দিন দিন ব্যাঙয়ের ছাতার মত গড়ে উঠেছে। তাছাড়া ভূমি দস্যুরা সিএন্ডবি’র সীমানা ল্যান্ড তুলে পাকা একতলা দোতলা ঘর নির্মাণ করছে। যা মহাসড়কের অতি নিকটে। যে কারনে সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। তবে সড়ক ও জনপদ বিভাগ উচ্ছেদের বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। 
২০২১ সালের দিকে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের সীমানা ১৮ মাইল এলাকা থেকে ঢাক ঢোল পিটিয়ে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ বাহিনী সাথে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছিল। কিন্তু তাদের কাজে ছিল আকাশ পাতাল ভেদাভেদ। চায়ের দোকানগুলি ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হলেও এক বা দোতলা পাকা ভবনগুলোর ধারের কাছেও তারা যাননি বা তাদের ভবনে স্পর্শও করা হয়নি। 
এরপর দীর্ঘ ৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। যার মধ্যে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি মহাসড়কের গা ঘেঁষে যার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু দখল করে চলেছে। মাঝে মধ্যে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রোড সুপারভাইজার সিএন্ডবি’র আওতায় থাকা ছোট ঘরগুলোতে লাল ক্রস চিহ্ন দিয়ে গেলেও বড় বড় ভবনে এই চিহ্ন দিতে দেখা যাচ্ছেনা। 
২০২১ সালে ১৮ মাইল থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে পাটকেলঘাটা পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত এসে সমাপ্ত হয়। এসময় এলজিইডির কর্মকর্তারা বলেন, বাকী উচ্ছেদ অভিযান কিছুদিন পরেই শুরু হবে। কিন্তু দীর্ঘ ৫ বছর অতিবাহিত হলেও এমন ঘটনা চোখে মেলেনি। যে কারনে মহাসড়কের দুইপাশে দিনের পর দিন বুক ফুলিয়ে বড় বড় ভবন নির্মাণ করছে ভূমি দস্যুরা। 
একটি সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত ৫৯ কি:মি রাস্তা ৪ লেনের টেন্ডার হয়েছে। অতিদ্রুত যদি খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কের দু’ধারে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা না হয় তাহলে ৪ লেনের রাস্তা হওয়ার পথ অচিরেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। 
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ