খুলনা | রবিবার | ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ৯ ফাল্গুন ১৪৩২

বিনম্র শ্রদ্ধায় খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

তথ্য বিবরণী |
০৪:৩২ পি.এম | ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


খুলনায় বিনম্র-শ্রদ্ধা এবং যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্যদিয়ে আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

একুশের প্রথম প্রহরে নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে শহিদ মিনারে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ও জেলা ইউনিট, বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি’র প্রশাসক, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, জেলা পরিষদ, কেডিএ, চেম্বার অব কমার্স, আইনজীবী সমিতি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, খুলনা প্রেসক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মহানগর ও জেলা বিএনপি, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ভবন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ভোর হতেই প্রভাতফেরি সহযোগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।

নগরভবনে সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে শিশুদের চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। মহান শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে বাদজোহর কালেক্টরেট জামে মসজিদসহ নগরীর সকল মসজিদে ভাষা শহিদদের রূহের মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণ-শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই সুপ্ত ছিল স্বাধীনতার বীজ। মাতৃভাষা আমাদের আত্মার সাথে গেঁথে আছে। বাংলা ভাষাকে সবক্ষেত্রে প্রাধান্য দিতে হবে। বিদেশি ভাষা শিখতে গেলেও আগে মাতৃভাষার ভালো দখল থাকতে হয়। তিনি আরো বলেন, শুধু একুশে ফেব্রুয়ারি নয়, সারাবছরই বাংলা ভাষাকে যেন আমরা হৃদয়ে ধারণ ও লালন করতে হবে। ভাষার সঠিক ব্যবহার ও প্রমীত বাংলার চর্চা করতে হবে।

খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, পুলিশের অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়েন উদ্দীন ও পুলিশ সুপার মো: মাহবুবুর রহমান।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ