খুলনা | মঙ্গলবার | ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

রেকর্ড গড়া ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে উড়ে গেলো জিম্বাবুয়ে

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
১২:১০ এ.এম | ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর জিম্বাবুয়ে শিবির। কেননা, গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কার মতো দলকে হারিয়ে সুপার এইটে উঠেছে সিকান্দার রাজার দল। সুপার এইটে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজও অবশ্য বেশ আত্মবিশ্বাসী। কারণ তারাও যে গ্রুপ পর্বে সবগুলো ম্যাচই জিতেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো আশা করেছিলেন, গ্রুপ পর্বের অপরাজিত দুই দলের লড়াইটা হবে জমজমাট। তবে তা আর হলো কোথায়, পুরো ম্যাচটাই যে হলো একপেশে। আগে ব্যাট করে পাহাড়সহ লক্ষ্য দিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আর সেই রানের পাহাড়েই চাপা পড়লো জিম্বাবুয়ে। ২৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪৭ রানেই থেমেছে রাজাদের ইনিংস। আর তাতেই ১০৭ রানের বিশাল জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। দলীয় পঞ্চাশের আগেই তারা হারায় ৩ উইকেট। সেখান থেকে ডিওন মেয়ার্স ২৮, সিকান্দার রাজা ২৭ রান করে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা চালান। তবে অন্যপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট যাওয়ার ফলে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ২১ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৪৭ পর্যন্ত নিয়ে যান।

জিম্বাবুয়ের ইনিংসে এদিন ধস নামান গুড়াকেশ মোতি ও আকিল হোসাইন। দুজনে মিলেই নেন ৭ উইকেট। এর মধ্যে মোতি ২৮ রানে নেন ৪ উইকেট। একই রানে ৩ উইকেট নেন আকিল। পাশাপাশি ২৭ রানে ২ উইকেট পান ম্যাথু ফোর্ড। আর একটি উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। এ নিয়ে সুপার এইটে গ্রুপ ওয়ানে এক ম্যাচে খেলে একটি করে জয় পেল সাউথ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এর আগে এই ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বল হাতে নেমে শুরুতেই ব্র্যান্ডন কিংকে আউট করেন রিচার্ড এনগারাভা। এই পেসারের বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ক্যারিবিয়ান এই ওপেনার।

এরপর শাই হোপ ও হেটমায়ার মিলে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন। দলীয় পঞ্চাশের পর ফিরে যান হোপও। তিনি ১২ বলে ১৪ রান করেন। তাকে আউট করেন লরি ইভান্স। তৃতীয় উইকেটে হেটমায়ার ও পাওয়েল মিলে ১২২ রানের জুটি গড়েন। তাও মাত্র ৫২ বলে।

এমন বিধ্বংসী জুটিতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন গ্রায়েম ক্রেমার। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগানো হেটমায়ার ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দেন ব্রায়ান বেনেটকে।

৭ ছক্কা ও ৭ চারে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৩৪ বলে ৮৫ রানের ঝড়ো ইনিংস। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়া পাওয়েলও শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি। পাওয়েল আউট হয়েছেন ৩৫ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন।

এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড ও রোমারিও শেফার্ড ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস টানেন। রাদারফোর্ড ১৩ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন ও জেসন হোল্ডার শেষদিকে আউট হন ৪ বলে ১৩ রান করে। ১ বলে ১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ম্যাথিউ ফোর্ড।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ