খুলনা | মঙ্গলবার | ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

বান্দরবানে সেনাবাহিনী-জেএসএস গোলাগুলি, নিহত ১

খবর প্রতিবেদন |
১২:১৬ এ.এম | ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সাথে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-মূল) গোলাগুলির ঘটনায় হ্লামংনু মার্মা নামের এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নের মুরুং বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সাবমেশিনগানসহ (এসএমজি) বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুরুং বাজার এলাকায় জেএসএস (মূল) দলের সশস্ত্র সদস্যরা গাড়ি আটকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। পরিস্থিতি টের পেয়ে জেএসএস সদস্যরা পালানোর চেষ্টাকালে সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালিয়ে তাদের ধাওয়া করে।

আইএসপিআরের তথ্যমতে, গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা প্রাথমিকভাবে একটি স্কুলঘরে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করে এবং পরে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। গোলাগুলি শেষে সেনা টহল দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি অ্যামোনিশন (গুলি), ১৪ রাউন্ড পিস্তলের অ্যামোনিশন, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি অস্ত্রের ম্যাগাজিন এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এদিকে, এ ঘটনার পর থেকে ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাকের আহমেদ বলেন, ‘রোয়াংছড়ি উপজেলার মুরুং বাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর সাথে জেএসএসের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে জেএসএসের এক সদস্য আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।’

আইএসপিআর জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জাতিগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর এবং ভবিষ্যতেও সশস্ত্র দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ