খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১

রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে স্বস্তি কমেছে বাণিজ্য ঘাটতি

খবর প্রতিবেদন |
০১:৪৪ এ.এম | ০৩ এপ্রিল ২০২৫


দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের চলতি হিসাবের নেতিবাচক অবস্থা যেমন কমেছে, তেমনি বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণও কমে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাস (জুলাই-ফেব্রæয়ারি) চলতি বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ইতিবাচক দিকে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র প্রতীয়মান হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রবাসী আয়ের বা রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং রপ্তানি আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে রপ্তানি পণ্যের দাম সঠিকভাবে নির্ধারিত হওয়ায় আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অন্যদিকে, শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ব্যয় খুব একটা বাড়েনি, যার কারণে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ কমে এসেছে। চলতি হিসাবের লেনদেন ভারসাম্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ৩,০৩৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, এবং ৪,৩৭৩ কোটি ৪০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে। এর ফলে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১,৩৭০ কোটি ডলার।
তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১,৪৩৩ কোটি ডলার, যা এই সময়ের তুলনায় ৪.৪১ শতাংশ কমেছে। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ভালো খবর, যা মূল্যস্ফীতির নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিবেদনটি আরও জানাচ্ছে, চলতি হিসাবের লেনদেনে ঋণাত্বক অবস্থান ছিল ১২৭ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরে (২০২৩-২৪) ৪০৭ কোটি ডলার ছিল।
সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে (ওভারঅল ব্যালান্স) ঘাটতিও কিছুটা কমেছে। জুলাই-ফেব্রæয়ারি সময়ে এই সূচকে ঘাটতি ছিল ১১০ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যেখানে গত মাসে এটি ছিল ১১৭ কোটি ডলার। গত বছরের ফেব্রæয়ারিতে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি ছিল ৪৪৪ কোটি ডলার।
তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ১৮.৪৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৫.০৭ বিলিয়ন ডলার।

্রিন্ট

আরও সংবদ