খুলনা | সোমবার | ০৭ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১

ঈদের ছুটির শেষ দিকেও পর্যটক সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে বন রক্ষীরা

মোংলা প্রতিনিধি |
০১:২৬ এ.এম | ০৫ এপ্রিল ২০২৫


ঈদুল ফিতরের ছুটির শেষ মুহূর্তেও পর্যটকের পদচারণায় মুখর সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্র এলাকা। গতকাল শুক্রবার দেখা যায় দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে এখানকার বন রক্ষরা।
করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের এ ভিড় থাকবে আরো দু’এক দিন। তবে ঈদের দিন থেকে শুরু করে পর পর পাঁচ দিন করমজলে দেশ-বিদেশী পর্যটকে ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুন্দরবন শুধু দেশের নয়, বিশ্বের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যেও অন্যতম। বিশেষ করে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসব ও ছুটির দিনে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসেন সুন্দরবনের মনোরম পরিবেশে ভ্রমণ করার জন্য। সুন্দরবনের করমজল পর্যটন স্পটটি সবচেয়ে কাছের হওয়ায় সাধারণত ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড় এখানেই বেশি হয়ে থাকে। করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ফুট টেইলার, বনের সৌন্দর্যের দূরের দৃশ্য দেখার জন্য সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার, কৃত্রিমভাবে আটকে রাখা কুমির, হরিণ, খোলামেলা ভাবে ঘুরে বেড়ানো মায়াবি চিত্রা হরিণ, বানরসহ বিভিন্ন পশু-পাখি এবং গাছপালা দেখে আনন্দ উপভোগ করে থাকেন আগত দর্শনার্থীরা। 
তবে করমজল ছাড়াও বনের হাড়বাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী, দুবলার চরের আলোর কোল ও আন্দারমানিক পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও এবারের ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বিগত বছরগুলোর তুলনায় বেশি। পর্যটকদের ভিড় হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সার্বিক সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বল্পসংখ্যক বন প্রহরীদের।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানান, সাধ্য অনুযায়ী সেবা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে বন বিভাগ। ছুটি যতই কমে আসছে পর্যটকের সংখ্যাও একটু কমে আসছে। তার পরেও গত বছরগুলোর তুলনায় বেশী। দেশর এ শিল্পের বিকাশে বনের পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে আরো বেশি আকর্ষণীয় ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণে আসা দর্শনার্থীরা।

্রিন্ট

আরও সংবদ