খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

রূপসায় আসামি ছিনিয়ে নিতে ৮ পুলিশের উপর হামলা, আটক ১২

রূপসা প্রতিনিধি |
০১:৪২ এ.এম | ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


রূপসায় এজাহারভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে ৮ পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হয়েছেন। গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রহিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় দায়েরকৃত মামলায় ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
গ্রেফতারকৃতরা হলো রহিমনগর কাস্টমসঘাট এলাকার মহিদুল শেখের ছেলে মোঃ জহির শেখ (৩২), মেয়ে নওরিন সুলতানা ওরফে নার্গিস বেগম (৩২), নাসিমা বেগম (৪০), মৃত কাশেম শেখের ছেলে মহিদুল শেখ মফিদুল (৬৫),  আজিজ শেখের স্ত্রী তমা আফরোজ নিপা (২৫), সত্তার শেখের ছেলে ফারুক শেখ (৪৫), মৃত খন্দকার শরীফ উদ্দিনের ছেলে খন্দকার আফজাল উদ্দিন সোহেল (৪০), রহিমনগর গ্রামের মৃত কাশেম আলী শেখের ছেলে মোঃ রশিদুল ইসলাম (৪৮),মোঃ মিজানুর রহমানের ছেলে মোঃ ইমরান (২৫), মৃতঃ মোশারেফ এর ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান (৪৮), সিংহেরচর গ্রামের মোঃ রবিউল হাওলাদারের ছেলে মোঃ নাইম ইসলাম (১৯), রামনগর গ্রামের মোঃ রশিদ শেখের স্ত্রী মোসাঃ নার্গিস খাতুন (৪০)। 
রূপসা থানার এসআই মোঃ আশরাফুল আলমের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে ২৪ ফেব্র“য়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ রূপসা থানার হত্যা মামলার আসামি জহির শেখকে গ্রেফতার করতে রহিমনগর কাস্টমসঘাট এলাকার বাড়িতে অভিযান চালায়। জহিরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার প্রস্তুতিকালে আসামির চিৎকার চেচামেচিতে আজিজ শেখ (৪৫), নাজমুল শেখ (২৪), আবিদ শেখ (২২), মহিদুল শেখ (৬৫), নাজমুল সাকিব (২৭), নার্গিস বেগম (২৬), নাসিমা বেগম (৪০), রুনা বেগম (২৫), তমা বেগম (২৫), রুপা বেগম (২৫), ফারুক (৪৫), খন্দকার আফজাল উদ্দিন (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জন জহিরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আসামি জহিরের ভাই বোন ও অন্যান্য আসামিরা আমাকে এবং সাথে থাকা এসআই নাজমুল হুদা, এসআই খোন্দকার ইমরান আলী, এএসআই  আজাদ, এএসআই জাকির, পুলিশ কনস্টেবল  মেহেদী, মোল্ল¬া মোঃ জাহিদুর রহমান, মোঃ ফিরোজ হাসান, মোঃ শরিফুল ইসলামকে আসামীরা এলোপাতাড়ি মারপিট ও জখম করে। ঘটনার পর মঙ্গলবার রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ উল্লিখিত আসামিদের গ্রেফতার করে। 
থানা পুলিশের ওসি আবদুর রাজ্জাক মীর জানান, সরকারি কাজে বাধাদান ও কতিপয় দুষ্কৃতরা আসামিকে ছিনিয়ে নিতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালায়। এ সময় বাধা প্রদান করলে আসামিরা পুলিশের উপরও হামলা চালায়। পরবর্তীতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। তিনি জানান আসামিদের কোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে এবং ওই এলাকায় পুলিশী অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ