খুলনা | শুক্রবার | ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

রাজধানীতে অপহৃত কিশোর উদ্ধারের ঘটনায় ৪ অপহরণকারী গ্রেফতার

খবর প্রতিবেদন |
০১:৪৩ এ.এম | ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের ঘটনায় চার অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম (২৩), ইশরাক ইয়ামিন লিখন (২০), হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম (২১) ও মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ (২২)।
পুলিশ জানায়, তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খন্দকার শামীমের একমাত্র ছেলে আরফান সাঈদকে অপহরণের ঘটনায় এই চক্রটি জড়িত। ডিসি মাসুদ আলম বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উঠতি বয়সী তরুণদের মাদক ও নারীদের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে আসছিল। একই ভাবে সাঈদকেও অপহরণ করে খিলগাঁওয়ের চামেলিবাগ এলাকায় নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
ছেলের অপহরণের ঘটনায় হতবিহŸল বাবা মন্ত্রণালয়ে ছোটাছুটি করার সময় প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বিষয়টি তার নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ বিষয়টি শুনে রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
উদ্ধার অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ডিসি মাসুদ বলেন, অপহরণকারীরা চামেলিবাগ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কিশোরটিকে জিম্মি করে রেখেছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে দ্রুততম সময়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা গেলেও জড়িতদের বিষয়ে কোনো তথ্য ছিল না। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত ১০ থেকে ১২ জনের একটি দুর্ধর্ষ চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা তরুণদের অপহরণ করে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ আদায় করত এবং নির্যাতন চালাত। গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোনে নির্যাতনের বেশ কিছু ভিডিও পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় রমনা থানায় নিয়মিত আইনে মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও একজনকে খুঁজতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ