খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৫ মার্চ ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

ফুলতলায় ইফতার মাহফিলে গোলাম পরওয়ার

দীর্ঘদিন পর উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও কিছু আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে

ফুলতলা প্রতিনিধি |
০২:০৩ এ.এম | ০৫ মার্চ ২০২৬


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দীর্ঘদিন পর দেশবাসী দিনভর শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান করে। ফলাফল গণনার পর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে থাকায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু হয়। রাত ১০টা ফলাফল হঠাৎ করে বন্ধ রেখে ইচ্ছা মতো পছন্দের প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করতে কারচুপির পথ বেছে নেয়া হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা কাউকে খুশি করতেই এই ফলাফল উল্টিয়ে দেন বলে আমরা মনে করি। তারপরও আমরা জাতির বৃহৎ স্বার্থে এই ফলাফল মেনে নিয়েছি। আপনাদের আমানত আমরা রক্ষা করতে পারি নাই। আমরা সবাই আল্লাহর  সন্তুষ্টর জন্যই রাজনীতি করি। সুতরাং মহান আল্লাহর উপর আমাদের সন্তুষ্টি থাকতে হবে। জনগনের কথা চিন্তা করে আমরা সারাদেশে মাত্র ৩২টি আসনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়েছি। অন্যদিকে হাইকোর্টেও আমরা রিট করেছি। এখন আদালতে শুনানি শেষে রায় দিলে রিটার্নিং অফিসার ভোট পুনঃগণনা করবে। 
বুধবার বিকেলে ফুলতলার গাড়াখোলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত উপজেলা জামায়াত আয়োজিত রমজান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা আমীর অধ্যাপক আঃ আলিম মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারি সেক্রেটারী অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, কর্মপরিষদ সদস্য মাষ্টার শেখ সিরাজুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা আল মুজাহিদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মাওলানা আলী আকবর মোড়ল, জেলা শিবির সভাপতি মোঃ মমিনুল ইসলাম। মোঃ সানোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা আমীর ডাঃ সৈয়দ হাসান মাহমুদ টিটো, ফুলতলা উপজেলার নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাওলানা শেখ ওবায়দুল্লাহ, সেক্রেটারী মাওলানা সাইফুল হাসান খাঁন, যুব বিভাগের সভাপতি শেখ মোঃ আলাউদ্দিন, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম জমাদ্দার, শিবির সভাপতি মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম, তাওহীদুল ইসলাম, মাওলানা জোবায়ের হোসেন ফাহাদ, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, আঃ রহিম খাঁন, দামোদর ইউনিয়ন আমীর ইঞ্জিনিয়ার শাব্বির আহমদ, সেক্রেটারী মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, ফুলতলা ইউনিয়ন আমীর মাস্টার মফিজুল ইসলাম, সেক্রেটারী হাফেজ গাজী আল আমিন, জামিরা ইউনিয়ন আমীর মোঃ শরিফুল ইসলাম, সেক্রেটারী মাস্টার মিজানুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি মিয়া গোলাম পরওয়ার আরো বলেন, রমজান মাস কুরআন নাজিলের মাস। কোরআন নাজিলের মাসে আবার রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। আর রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো তাক্বওয়া অর্জন করা। সুতরাং রমজানের রোজা রাখার মাধ্যমে আমাদেরকে তাক্বওয়া অর্জন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে। আর এই আল্লাহ ভীতি নিয়ে শুধু রমজান মাস নয়, সারা বছর আমাদের চলতে হবে। তাহলে আমরা আল্লাহর ওয়াদানুযায়ী জান্নাত আমরা পাব। পরে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ