খুলনা | শুক্রবার | ২৯ অগাস্ট ২০২৫ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩২

সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

খবর প্রতিবেদন |
০১:৩৯ পি.এম | ২৮ অগাস্ট ২০২৫


তিন দফা দাবিতে দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন।

ঘোষণায় বলা হয়, বুয়েটসহ দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার থেকে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার বুয়েটে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় সেখানে কার্যত কর্মসূচি পালিত হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, দুপুরে সার্বিক বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক হবে। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শাহবাগ অবরোধে নামেননি কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একত্রিত হননি।

প্রকৌশলের শিক্ষার্থীদের তিন দাবির মধ্যে রয়েছে— ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নামের আগে ‘প্রকৌশলী’ লিখতে না দেওয়া, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কাউকে পদোন্নতি দিয়ে নবম গ্রেডে উন্নীত করা যাবে না এবং দশম গ্রেডের চাকরিতে ঢোকার ক্ষেত্রে স্নাতক প্রকৌশলীদের সুযোগ দিতে হবে।

এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে শাহবাগ ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে আরও পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা।

দাবির মধ্যে রয়েছে—১) প্রকৌশল আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত এবং ন্যক্কারজনক হামলার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে আন্দোলনকারীদের সামনে এসে উক্ত ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে এবং জবাবদিহি করতে হবে। ‎

‎২) প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইতিপূর্বে গঠিত কমিটিকে অনুপযুক্ততার কারণে আমরা প্রত্যাখ্যান করি। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিসহ প্রকৌশল আন্দোলনের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে কমিটির সংস্কার করে পেশকৃত ৩ দফা দাবিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মেনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে এবং এই মর্মে সংশ্লিষ্ট তিন উপদেষ্টা জনাব মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, জনাব আদিলুর রহমান এবং সৈয়দা রেজওয়ানা হাসানকে আজকে এসে এই নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। ‎

‎৩) শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ডিসি মাসুদকে বহিষ্কার করতে হবে। ‎

‎৪) হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় ব্যয়ভার সরকারকে বহন করতে হবে এবং উক্ত আন্দোলন চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ দিয়ে এই যৌক্তিক আন্দোলনে আর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না। ‎

‎৫) রোকন ভাইয়ের ওপর হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে। ‎

‎এ সময় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। আর দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

্রিন্ট

আরও সংবদ