খুলনা | রবিবার | ১৫ মার্চ ২০২৬ | ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা চালুর বিষয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বিশেষ প্রতিবেদক |
০১:৪৩ এ.এম | ১৫ মার্চ ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো বিএনপি সরকার গঠনের ছয় মাসের মধ্যে চালু করা হবে। শনিবার  ঢাকায় বেইলি রোডে শ্রমমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে আরএমজি ও নন-আরএমজি সেক্টরে শ্রম অসন্তোষ নিরসনে করণীয় নির্ধারণে উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি এ কথা জানান।
মাহদী আমিন বলেন, আমরা সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বন্ধ কারখানাগুলো চালু করে ফেলব। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশনা রয়েছে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে কাজ করার।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের সকল শিল্প কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস অবশ্যই ঈদের ছুটির আগেই পরিশোধ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন শ্রমিকদের প্রাপ্য পাওনা নিয়ে কোনো জটিলুা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
এ সময় বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু আছে ২১২৭টি কারখানা যার ১৯৬৪টি (৯২.৩৪%) কারখানা ফেব্র“য়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে এবং ১৫৩৫টি (৭২.১৭%) কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে।
তিনি আরও বলেন, মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক না, যাদের সামর্থ্য আছে তারা দিবে কিন্তু মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের অনেকেই উসকে দিচ্ছে।
সভায় বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, দেশের ৮৩৪ কারখানার মধ্যে ৫১২টি কারখানা ফেব্র“য়ারি মাসের বেতন দিয়েছে এবং ৬০৪টি কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে আমরা আশা করি কোনো ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হবে না।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, আপদকালীন ফান্ড করতে পারলে সেই অর্থ দিয়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ