খুলনা | বুধবার | ১৮ মার্চ ২০২৬ | ৩ চৈত্র ১৪৩২

তাজুলের বিরুদ্ধে আসামিদের আড়াল করার অভিযোগ

খবর প্রতিবেদন |
০২:০৭ এ.এম | ১৮ মার্চ ২০২৬


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন মামলার আসামিদের আড়াল করার অভিযোগ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ সম্রাট রোবায়েত। গত ২৫ ফেব্রæয়ারি ট্রাইব্যুনালের বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কাছে এ অভিযোগ দাখিল করেন তিনি। 
রোবায়েত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী। তিনি ফজলে করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে হওয়া মামলার অভিযোগকারী। এর আগে চট্টগ্রামের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার হয়ে চট্টগ্রাম-৬ আসনের (রাউজান) আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরী এখন কারাগারে। গত সোমবার এ মামলায় ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তা হয়নি। আগামী ১২ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটরের কাছে দেওয়া রোবায়েতের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম, মিজানুল ইসলাম ও তারেক আবদুল্লাহ মিলে একটি চক্র গড়ে চিহ্নিত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চালান।
তাতে বলা হয়, চট্টগ্রামের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের তদন্তে ৫৫ জনের বেশি সাক্ষী সরাসরি ফারাজ করিমের নাম বললেও বিশেষ আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁর নাম গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকে বাদ দেন তাজুল ইসলাম। পারিবারিক সম্পর্কের কারণে ফারাজের মায়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাজুলের। শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক থাকা এবং আইজি প্রিজনের ভাষ্যমতে অসুস্থতা ‘সিজনাল’ হওয়ার পরও ফজলে করিমকে জামিন দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়।
প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম ও মিজানুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে সম্রাট রোবায়েত বলেন, আমরা জানতে পেরেছি বৃহৎ অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তামিম ও মিজান যে কোনো মূল্যে ফারাজ ও ফজলে করিমকে বাঁচানোর শপথ নিয়েছেন। এ ধরনের কলঙ্কজনক অধ্যায় ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ধ্বংস করছে।
প্রসিকিউটর তারেক আবদুল্লাহর বিষয়ে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে চাইলেও এই চক্রটি বারবার সময়ক্ষেপণ করেছে। তদন্ত অফিসে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে এই প্রসিকিউটর অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ