খুলনা | মঙ্গলবার | ২৪ মার্চ ২০২৬ | ৯ চৈত্র ১৪৩২

পিএসএলেও যুদ্ধের আঁচড়, পাল্টে গেল মুস্তাফিজদের ম্যাচ ভেন্যু

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
১২:৪৬ পি.এম | ২৩ মার্চ ২০২৬

 

মুস্তাফিজুর রহমানসহ বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার আসন্ন পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে যাচ্ছেন। তার আগে বেশকিছু রদবদল এসেছে পিএসএল আয়োজন–সংক্রান্ত বিষয়ে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরান এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তান চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়ান ক্রীড়াঙ্গনও এর বাইরে নয়। একই কারণে পিএসএলের পরিসরও কমিয়ে আনা হয়েছে।

আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পিএসএলের একাদশ আসর অনুষ্ঠিত হবে। ৮ দলের অংশগ্রহণে ৩৯ দিনে ৪৪টি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের ৬টি ভেন্যুতে হবে। অঞ্চলভিত্তিক ক্রিকেটভক্তদের মাঠে বসে আরও বেশি খেলা দেখার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল পিসিবির। তবে এখন পিএসএল কেবল লাহোর ও করাচিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি খেলা হবে দর্শকশূন্য মাঠে।

এর আগে বলা হয়েছিল প্রথমবারের মতো ৬ ভেন্যু– করাচি, লাহোর, মুলতান, পেশোয়ার, ফয়সলাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে পিএসএলের খেলা গড়াবে। তবে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে কমছে জ্বালানি ও গ্যাস, দাম বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেরও। সে কারণে যাতায়াত ও জ্বালানি সাশ্রয়ে টুর্নামেন্টের পরিধিও কমিয়ে আনা হয়েছে। মাঠে থাকছে না দর্শক প্রবেশের সুযোগ। এমনকি আগামী বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে পিএসএলের সূচি অপরিবর্তিতই থাকছে, কেবল অন্য ভেন্যু থেকে সব ম্যাচ লাহোর ও করাচিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রসঙ্গে পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, ‘প্রতিদিন ৩০ হাজার দর্শক স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসতে পারেন, এত মানুষের চলাচলে আমরা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারি না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতদিন চলমান সংকট থাকবে, আমরা খেলায় দর্শক রাখব না। এটি কঠিন সিদ্ধান্ত, কিন্তু এভাবেই আগাতে হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।’

২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত পিএসএলের প্রথম ১৪ ম্যাচ হবে লাহোরে, এরপর ১৫ ম্যাচ হবে করাচি। এরপর ২১ এপ্রিল থেকে ফের লাহোরে ফিরবে পিএসএল। কোয়ালিফায়ার রাউন্ড রাওয়ালপিন্ডি থেকে সরিয়ে ২৮ এপ্রিল করাচি ও লাহোরে হবে। ৩ মে ফাইনালও হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। এর আগে ২৬ মার্চ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে মুস্তাফিজ-পারভেজ ইমনের লাহোর কালান্দার্স ও হায়দরাবাদ কিংসমেন মুখোমুখি হবে।

বাংলাদেশের বাকি চারজনের মধ্যে নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং তানজিদ হাসান তামিম পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলবেন। তাদের প্রথম ম্যাচ ২৮ মার্চ রিশাদ হোসেনের রাওয়ালপিন্ডির (পিন্ডিজ) বিপক্ষে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ