খুলনা | শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | ১৫ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

সুবিধা নিয়ে কম্বল পারাপারের অভিযোগে বেনাপোলে তিন আনছার সদস্য ক্লোজড

বেনাপোল প্রতিনিধি |
০১:৫৬ এ.এম | ২৯ নভেম্বর ২০২৫


বেনাপোলে পাসপোর্ট যাত্রীর কম্বল পারাপারের অভিযোগে তিন আনছার সদস্যকে আটকের এক ঘন্টা পর ছেড়ে দিয়েছে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস। এ ঘটনায় ওই তিন আনছার সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। পাসপোর্ট বাদে আনছার সদস্যরা পাঁচটি কম্বল নিয়ে আসার পর সরকারী একটি গোয়েন্দা সংস্থার লোক তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা তাদের নিজেদের আনছার সদস্য বলে পরিচয় দেয়। অবৈধ ভাবে সরাসরি কাস্টমস দিয়ে পাসপোর্ট বাদে ভারতীয় কম্বল নিয়ে মাঝে মধ্যে তারা পার করে থাকে।  
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই তিন আনছার সদস্য কম্বল পারাপারের অপরাধে কিছু সময়ের জন্য তাদের আটক রাখে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। চোরাচালানী পণ্য কম্বল পাচারের সাথে জড়িত আনছার সদস্যরা হলো আতিকুর রহমান আইডি নং ০৫৫০৮৪৭২৯, রিয়াজুল ইসলাম আইডি নং ১৯১৬৫২০ ও ইসমাইল হোসেন আইডি নং ৫৯৬ ৬৫৩ ৩০৩৫।
সূত্রমতে ভারত থেকে পাসপোর্ট যাত্রীরা কিছু পণ্য ক্রয় করে আনে। ওই সকল পণ্য ল্যাগেজ বহির্ভূত হলে কাস্টমস রেখে সিজার স্লিপ ধরিয়ে দেয়। এসব কারনে ওই সব পাসপোর্ট যাত্রীরা আনছার সদস্যদের ম্যানেজ করে প্রতিটি কম্বলের জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে থাকে। আর কাস্টমস ও বন্দরে কর্তব্যরত আনছার সদস্যরা টাকার বিনিময়ে এসব কাজ করে থাকে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারিরা বলে তাদের চাকরির পাশাপাশি তারা শুধু কম্বল না ই-এরাইভেল কার্ড এর দালালি করেও থাকে। গত বুধবার আনছার সদস্য মিলনকে দেখা যায় সে আন্তর্জাতিক প্যাচেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে যাত্রী নিয়ে তাদের ই-এরাইভেল কার্ড করে দিচ্ছে। পরে আনছারের পিসি মিজানুর রহমান ওই কম্বলসহ তিনজনকে ছাড়িয়ে আনেন। 
আনছার পিসি মিজানুর-এর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই আনছার সদস্যরা কার্গো ইয়ার্ড এর আনছার। কার্গো ইয়ার্ড এর পিসিকে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি ছুটিতে আছি তবে বিষয়টি শুনেছি। জেলা কমান্ডার এর সাথে আলাপ হয়েছে ওরা ক্লোজড হবে।

্রিন্ট

আরও সংবদ