খুলনা | রবিবার | ২৯ মার্চ ২০২৬ | ১৪ চৈত্র ১৪৩২

পাইকগাছা-কয়রায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাপ্পী

দুর্নীতি ও লুটপাট করে জেলা পরিষদগুলো ধ্বংস করা হয়েছে

পাইকগাছা ও কয়রা প্রতিনিধি |
০২:০০ এ.এম | ২৯ মার্চ ২০২৬


খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন জাতীয় নির্বাচনে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭শ’ মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন, আমি তাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। নির্বাচনে জয়লাভ করলে হয়তো আমি দুই উপজেলার দায়িত্ব পেতাম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে জেলার ৯ উপজেলার দায়িত্ব দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্বশীল জায়গায় আমাকে বসিয়েছেন সে জায়গা আমি অপবিত্র করতে চাই না। জনগণের জন্য কাজ করার যে সুযোগ আমাকে দিয়েছেন, আমি সকলের জন্য কাজ করতে চাই।
তিনি গতকাল শনিবার দুপুরে খুলনার পাইকগাছা ও কয়রায় বিএনপি আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন বিগত দিনে জেলা পরিষদগুলোকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা হয়েছে। বরাদ্দ প্রতি জেলা পরিষদকে ৩০% দিতে হতো। এমনকি মসজিদ মন্দিরও রক্ষা পায়নি ৩০% থেকে। তিনি বলেন, তৎকালীন চেয়ারম্যান আর অসাধু কর্মকর্তারা দুর্নীতি আর লুটপাট করে জেলা পরিষদগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে। 
বাপ্পী বলেন, আমি কথা দিচ্ছি এখন থেকে বরাদ্দ পেতে এক কাপ চা খাওয়ানো লাগবে না। টাকা নিয়ে যারা বরাদ্দ দেয়নি অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি খুলনা জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি দখল ও চাঁদাবাজের মতো বিতর্কিত কর্মকান্ড পরিহার করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন যারা এ ধরনের কাজ করবে তাদেরকে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে। তিনি সুখে দুঃখে বিপদে আপদে মানুষের পাশে থাকার পুনরায় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 
পাইকগাছা পৌরসভা মাঠে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন, ইউনিয়ন পরিষদ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরুবাদিক, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসককে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম নান্নু, জেলা নেতা এড. জি এম আব্দুস সাত্তার, বিএনপি’র সাবেক নেতা এড. আবু সাঈদ, এস এম এনামুল হক, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি আসলাম পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, অধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ বাহার, শহিদুল ইসলাম, উৎপল কুমার বাইন, প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. এফএমএ রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, রিপোটার্স ইউনিটের সভাপতি জিএম মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা এ আর খান লিটন, বিএনপি নেতা তৌহিদুজ্জামান মুকুল, আবুল হোসেন, তুষার কান্তি মন্ডল, কাজী সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, আবু তালেব, সেলিম রেজা লাকি, মোহমশফা মোড়ল, এস এম মোহর আলী, শেখ রুহুল কুদ্দুস, মিজান জোয়ার্দারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
কয়রা : বিকেল ৩টায় সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুলের সভাপতিত্বে ও খুলনা জেলা বিএনপি’র সদস্য এম এ হাসানের পরিচালনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, জেলা বিএনপি’র সদস্য মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাইদ বিশ্বাস, জেলা বিএনপি নেতা সরদার আঃ মালেক, জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা আয়ুব আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আঃ মান্নান মিস্ত্রি, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, কয়রার বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম মাওলা বকস, এড. শেখ আঃ রশিদ, এফ এম মনিরুজ্জামান মনি, সরদার মতিয়ার রহমান, প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, আঃ সামাদ, এস এম এ রহিম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা গোলাম মোহমশফা, শেখ সালাউদ্দিন লিটন, কোহিনূর আলম, হাবিবুর রহমান, আঃ মজিদ মিস্ত্রি, আঃ মান্নান মিস্ত্রী, জি এম রফিকুল ইসলাম, ফয়জুল করিম খোকন, আশরাফুল আলম পল্টু, গাজী সিরাজুল ইসলাম, ওসমান গনি খোকন, ডাঃ নুর ইসলাম খোকন, শফিকুল ইসলাম, জিতু, মেহেদী হাসান, মোহমশাফিজুর রহমান, আবুল বাশার ডাবলু, কামরুল ইসলাম, রওশন মোল্লা, নাজমুল হুদা প্রমুখ। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ