খুলনা | বুধবার | ০৭ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৩ পৌষ ১৪৩২

১২৩ বার পেছাল সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

খবর প্রতিবেদন |
০১:৩৫ পি.এম | ০৫ জানুয়ারী ২০২৬


সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা ১২৩ বারের মতো পেছানো হলো। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হন। এ কারণে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত নতুন করে এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজন আসামি রয়েছেন। অন্য আসামিরা হলেন— বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরে বাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে মামলাটির তদন্ত করেন ওই থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়। তবে দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশও দেওয়া হয়। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এরপর ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখনও আলোর মুখ দেখেনি।

্রিন্ট

আরও সংবদ