খুলনা | বুধবার | ০৭ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৪ পৌষ ১৪৩২

নাসুমের ৫ উইকেটে সিলেটের জয়, হেরেই চলেছে নোয়াখালী

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
০৪:১৭ পি.এম | ০৫ জানুয়ারী ২০২৬


সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে উইকেটের শুরুটা করেছিলেন নাসুম আহমেদ। বাঁহাতি স্পিনার পরবর্তীতে ফিরিয়েছেন হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান এবং বিলাল সামিকে। নিজের শেষ ওভারেই নিয়েছিলেন তিন উইকেট। ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে মাত্র ৬১ রানে গুঁড়িয়ে দেন নাসুম। সহজ লক্ষ্য তাড়ায় পারভেজ ইমন দ্রুতই ফিরলে আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে সিলেট টাইটান্সকে এগিয়ে নেন তৌফিক খান তুষার ও জাকির হাসান। শেষের দিকে অবশ্য দ্রুতই তিনটি উইকেট হারায় সিলেট। তবে ৬ উইকেটের জয় পেতে খুব বেশি কষ্ট হয়নি স্বাগতিকদের।

জয়ের জন্য ৬২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় সিলেট। চলতি বিপিএলে প্রথমবার ওপেনিংয়ে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চারে ব্যাটিং করেছিলেন তিনি। প্রথম ম্যাচেই রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫ ছক্কা ও চারটি চারে ৩৩ বলে খেলেছিলেন অপরাজিত ৬৫ রানের ইনিংস। পরের ম্যাচে নোয়াখালীর সঙ্গে করেছিলেন ৬০ রান।

ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গেও খেলেছিলেন ৪৪ রানের ইনিংস। তবে পরের দুই ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি ইমন। শ্রীলঙ্কা সিরিজের জন্য সাইম আইয়ুব বিপিএল ছেড়ে যাওয়ায় ইমনকে ওপেনিংয়ে পাঠায় সিলেট। ওপেনিংয়ে নেমে ফিরতে হয়েছে ৫ বলে ১ রান করে। পেসার বিলাল সামির অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন তিনি। তবে আরেক ওপেনার তৌফিক দ্রুত রান তুলতে থাকেন।

পাওয়ার প্লের সুযোগ কাজে লাগিয়ে একের পর এক বাউন্ডারি মারতে থাকেন। চায়নাম্যান স্পিনার জহিরের বলে ছক্কা মারার চেষ্টায় লং অনে হাসান মাহমুদকে ক্যাচ দিয়েছেন ১৮ বলে ৩২ রান করা তৌফিক। চারে নেমে আউট হয়েছেন আফিফ হোসেন ধ্রুবও। ৫ বলে ২ রান করেছেন তিনি। একই ওভারে ২৩ বলে ২৪ রান করে আউট হয়েছেন জাকির। একই ওভারে মঈন আলী সিঙ্গেল নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন। নোয়াখালীর হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন জহির।

বিপিএলের চলতি আসরে বেশিরভাগ দলই টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সিলেটের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য মিলে ভালো শুরুর আভাসই দিয়েছিলেন। তবে চতুর্থ ওভারে ফিরে যেতে হয় সৌম্যকে। সেখান থেকেই নোয়াখালীর ছন্দপতন শুরু।

একই ওভারে রান আউট হয়ে ফেরেন মুনিম শাহরিয়ার। একটু পর আউট হয়েছেন ১৬ বলে ১৮ রান করা ওপেনার সোহানও। বাকিদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। শেষ ব্যাটার হিসেবে তিনি ফেরেন ২৫ রানে। নোয়াখালীর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা মোহাম্মদ নবি করেছেন ১০ বলে এক রান। ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। সিলেটের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন নাসুম।

্রিন্ট

আরও সংবদ