খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৪ পৌষ ১৪৩২

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০৩:২২ পি.এম | ০৬ জানুয়ারী ২০২৬


চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মাধবীতলায় বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে আলমসাধুর সংঘর্ষে একজন ও চরযাদবপুরে একটি বিড়ালকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গা সড়কের মাধবীতলা এলাকায় বালুবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে ইঞ্জিনচালিত আলমসাধুর মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ ফরাজী (৪০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আলমসাধুর চালক জহুরুল ইসলাম।

নিহত মোহাম্মদ ফরাজী ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাগান মাঠ গ্রামের বাসিন্দা এবং সামসুল হক ফরাজীর ছেলে। আহত চালক জহুরুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফিরে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে মাছবোঝাই একটি আলমসাধু চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে আলমডাঙ্গার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মাধবীতলা এলাকার একটি বাঁকে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে আলমসাধুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আলমসাধুটি দুমড়েমুচড়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়। সংঘর্ষে আলমসাধুতে থাকা মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফরাজী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহত চালক জহুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

একই দিন বেলা ১১টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার চরযাদবপুর এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নাজমুল হক (৩২) নামে এক যুবক নিহত হন।

নিহত নাজমুল হক আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা এবং আইনাল হকের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্র পরিষদের হারদী ইউনিয়ন শাখার সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনসুর আলী বলেন, নাজমুল হক মোটরসাইকেলে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে চরযাদবপুর গ্রামের একটি ব্রিজের কাছে পৌঁছালে হঠাৎ একটি বিড়ালকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুকাইয়া খাতুন বলেন, হাসপাতালে আনার সময় তার নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা যায়, তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছেন।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, আলমডাঙ্গা উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

্রিন্ট

আরও সংবদ