খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৪ পৌষ ১৪৩২

যশোর-চুয়াডাঙ্গাসহ ১০ জেলায় অব্যাহত থাকবে শৈত্যপ্রবাহ

খবর প্রতিবেদন |
১১:০৬ পি.এম | ০৬ জানুয়ারী ২০২৬


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এ অবস্থায় রাজশাহী ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলসহ দেশের ১০ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতের আবহাওয়া বুলেটিনে এ কথা জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব–নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থান করা লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি পশ্চিম–উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। অন্যদিকে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, নৌপথ ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

এ সময় রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে; তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বজায় থাকতে পারে।

মঙ্গলবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ বলেন, বায়ুদূষণের কারণে বাতাসে ভাসমান বস্তুকণার পরিমাণ বেড়েছে। এতে কুয়াশা কাটতে দেরি হচ্ছে, সূর্যের আলোও কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেশি হচ্ছে।

এদিকে তীব্র শীতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে–খাওয়া মানুষ। বিভিন্ন হাসপাতালে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

্রিন্ট

আরও সংবদ