খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৫ পৌষ ১৪৩২

‘জাতীয় পার্টির পুনর্বাসন চাই না’

পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেয়া হবে : আসিফ মাহমুদ

খবর প্রতিবেদন |
০১:০৩ এ.এম | ০৭ জানুয়ারী ২০২৬


আপাতদৃষ্টিতে আরও একটি পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে জানিয়ে তা প্রতিহতে ভোটের আগেই মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
আসিফ বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা গেছে। জনরায় প্রতিষ্ঠার আগেই সরকারি কর্মকর্তাদের একটি দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। তবে আবারো পুরনো সেটেলমেন্টের পথে গেলে তা রুখে দেয়া হবে। ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে না।
এ সময় এনএসআই প্রধানের একটি পার্টি অফিসে গিয়ে বৈঠক করা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।  
ভোটের পরিবেশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের জেলের বাইরে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি ইসি এবং সরকার। এ অবস্থায় ইসির প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রাখতে পারছে না এনসিপি। এ অবস্থায় নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
ইসির সমালোচনা করে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়নি। বড় দলের পক্ষে কাজ করেছে রিটার্নিং অফিসার। আপিলের ক্ষেত্রে ইসির নিরপেক্ষতা না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
এছাড়া জাতীয় পার্টি যাতে ভোটে অংশ নিতে না পারে সে বিষয়েও সতর্ক করেন আসিফ মাহমুদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) বাইরে রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে দাবি জানিয়েছে এনসিপি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টিকে তারা নির্বাচনে দেখতে চায় না।
আসিফ মাহমুদ বলেন, জাতীয় পার্টি বিগত ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল। আমরা চাই না তারা নির্বাচনে থাকুক, কমিশনকে পরিষ্কার ভাবে এই কথা বলেছি। আমরা আগেও বলেছি, নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের কোনো ধরনের পুনর্বাসন আমরা চাই না।
নাগরিক পার্টির এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান কী এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কমিশন আমাদের কথা শুনেছে। তারা জানিয়েছে, আইনের মধ্যে থেকে বিধিবদ্ধভাবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দেখা গেছে, দলটির মোট ২২৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫৭ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বৈধ প্রার্থী হিসেবে টিকে আছেন ১৬৭ জন।

্রিন্ট

আরও সংবদ