খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৫ পৌষ ১৪৩২

অনেক ডিসি-এসপি পক্ষপাত করছেন, অভিযোগ জামায়াতের

খবর প্রতিবেদন |
০৫:৩২ পি.এম | ০৭ জানুয়ারী ২০২৬


রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে অনেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) পক্ষপাত করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারা একটা রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। ইসিকে পক্ষপাতদুষ্ট ডিসি-এসপিদের আমরা সরিয়ে দিতে বলেছি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন।

মো. তাহের বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে মামলায় দুইরকম সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা বলেছি, দলীয় পক্ষপাত করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। আমরা সে সকল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও এসপিকে সরিয়ে দিতে বলেছি, যারা একটা পলিটিক্যাল পার্টিকে বিলং করতে চান, তাদের সরিয়ে দিতে বলেছি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় একজনকে অনেক প্রটোকল দেওয়া হচ্ছে। যেটা মানুষের মাঝে ইম্প্রেশন আসতে পারে, হি বিকাম সামথিং। তারা বলেছেন, নীতিগতভাবে আমরা বিষয়টি দেখব। এ ছাড়া একটি দলের পক্ষ থেকে কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে— ক্ষমতায় গেলে বিতরণ করা হবে। এটা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

জামায়াতের এই নায়েবে আমির বলেন, দলীয় ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে। তাই তারা দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এসব ডিসি এসপির বদলির ব্যাপারে বলেছি। দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। কোনো ব্যক্তিকে অনেক প্রোটেকশন দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে দেওয়া হচ্ছে না। এখন নির্বাচনের সময়, এটা একটা ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেজর পলিটিক্যাল পার্টির সাথে সরকারের আচরণে সমতা থাকা উচিত। ইসি নীতিগতভাবে এ বিষয়ে একমত হয়েছে।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, সিসিটিভি ব্যবহার নিয়ে বলেছিলাম। ইসি বলেছে, সিসি ক্যামেরা চালু করবে। আবার সাজানো নির্বাচন হলে দেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। একটি দল এমন করে নির্বাসনে আছে। বাস্তবতা মেনে দেশের স্বার্থে সবাইকে দৃঢ় হতে হবে।

সাবেক এই এমপি বলেন, আমরা কমিশনকে বলেছি, আপনাদের মাঠে প্রমাণ করতে হবে। আমরা স্পেসিফিক কোনো তালিকা দিইনি ডিসি-এসপিদের। আমরা পর্যবেক্ষণ করব, তারপর তালিকা দেব।

ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে জামায়াতের আমিরের বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, নির্বাচনে বিদেশিদের সংশ্লিষ্টতার চেষ্টা তো থাকেই। ভারতের সাথে জামায়াতের আমিরের বৈঠক হয়নি। তিনি অসুস্থ থাকার সময় ভারতীয় দূতাবাস দেখা করতে আসতে চেয়েছিল। তারা বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিল।

দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে কোনও কোনও জায়গায় কোথাও কোথাও গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোথাও কোথাও বাতিল করা হয়েছে। যেমন বিএনপির আব্দুল আউয়ালের মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়েছে। মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ তারও দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে। আমাদের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

্রিন্ট

আরও সংবদ