খুলনা | শুক্রবার | ০৯ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৫ পৌষ ১৪৩২

৫ বছর গুম থাকলে সম্পত্তি বণ্টনের ঘোষণা দিতে পারবে ট্রাইব্যুনাল

খবর প্রতিবেদন |
০১:৪৬ এ.এম | ০৮ জানুয়ারী ২০২৬


কয়েকটি বিধান সংশোধন করে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। এ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টনের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। মঙ্গলবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি টানা কমপক্ষে পাঁচ বছর গুম থাকার পর জীবিত ফিরে না এলে, ট্রাইব্যুনাল বৈধ উত্তরাধিকারের আবেদনের ভিত্তিতে সম্পত্তি বণ্টনের ঘোষণা দিতে পারবে।
অধ্যাদেশে বলা হয়, যেক্ষেত্রে গুম হওয়া ব্যক্তি সর্বনিম্ন ৫ বছর ধরে গুম থাকেন এবং জীবিত ফিরে না আসেন, সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ওই ব্যক্তির যেকোনো বৈধ উত্তরাধিকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই ব্যক্তির সম্পত্তি (যা এই উপ-ধারার অধীন আদেশ প্রদানের সময় বিদ্যমান) বৈধ উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টনযোগ্য মর্মে ঘোষণা করতে পারবে।
এতে আরও বলা হয়, আগের অধ্যাদেশের ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (৬) এর পরিবর্তে নিচের উপ-ধারা (৬) প্রতিস্থাপিত হবে। ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, অভিযোগকারী বা ভুক্তভোগী ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ট্রাইব্যুনালে আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন। আরও শর্ত থাকে যে, কমিশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বা কমিশন না থাকা অবস্থায়, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবে বা ট্রাইব্যুনাল যে জেলায় বা বিভাগে অবস্থিত সেই জেলা বা বিভাগের বিভাগীয় সদর দপ্তরের জেলা বা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর বা অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটরকে ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটরের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করতে পারবে।
 

্রিন্ট

আরও সংবদ