খুলনা | রবিবার | ১১ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৭ পৌষ ১৪৩২

একপক্ষীয় নির্বাচন হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে : চরমোনাই পীর

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০১:৩৩ এ.এম | ১০ জানুয়ারী ২০২৬


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র আমির (চরমোনাই পীর) মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, “নির্বাচনের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, দেশের অভ্যন্তরীণ একটি দুষ্ট চক্রও বসে আছে। যারা জনগণের মাঝে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তাই তারা এসব ভীতিকর পরিস্থিতি বৃদ্ধি করে সহিংসতার পথে হাঁটছে। আমরা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব, আপনারা এই খুনি চক্রের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ান। দ্রুত এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের ব্যবস্থা করুন।”
শুক্রবার বিকেলে জামিয়া রশিদীয়া গোয়ালখালী মাদ্রাসা অডিটোরিয়ামে খুলনা মহানগর ও জেলা ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দলের খুলনা মহানগর সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতি আমানুল্লাহ-এর সভাপতিত্বে ও মহানগর সেক্রেটারি মুফতি ইমরান হোসাইনের পরিচালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দলের নায়েবে আমির ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল, খুলনা জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান।
চরমোনাই পীর বলেন, “স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্য ও দলীয় অস্ত্রধারীরা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে। জুলাই যুদ্ধের অগ্র সৈনিক শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীকে ধরতে পারেনি। দিন-দুপুরে গুলি করে হত্যাকারী কীভাবে পালিয়ে যায়? তারা জুলাই বিপ্লবীদের স্তব্ধ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছে। জুলাই বিপ্লবে হাজার হাজার মানুষের আত্মত্যাগ ও তিতিক্ষার বিনিময়ে বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা গঠন, নতুন রাষ্ট্রকাঠামো তৈরির পথে তারা বাধা তৈরি করতে চায়।”
তিনি বলেন, “লুট করা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তেমন তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভারসাম্য হারাচ্ছে। কোন কোন নেতা আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছেন, ভিআইপি প্রটোকল পাচ্ছেন। বিভ্রান্তিকর জরিপের মাধ্যমে জনমতকে বিশেষ দিকে প্রভাবিত করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরাও শোকাহত। কিন্তু এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রশাসন বিশেষ দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এটা একপক্ষীয় নির্বাচনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।”
সভায় আরও বক্তৃতা করেন দলের মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, আবু তাহের, হাফেজ আব্দুল লতিফ, আবু মোঃ গালিব, জেলা সহ-সভাপতি মাওঃ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ, মাওঃ দ্বীন ইসলাম, এস এম রেজাউল করিম, মোঃ ইমরান হোসেন মিয়া, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মাওঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, মাওলানা হারুন আর রশিদ, মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, মুফতি আশরাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান সৈকত, মুফতি এনামুল হাসান সাঈদ, মোঃ হুমায়ুন কবির, মাস্টার জাফর সাদেক, মুফতি ইসহাক ফরীদি, মুফতি আজিজুর রহমান সোহেল, গাজী ফেরদাউস সুমন, মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদী, মোঃ মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, মাওলানা মাহবুবুল আলম প্রমুখ।

্রিন্ট

আরও সংবদ