খুলনা | মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ | ৩০ পৌষ ১৪৩২

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মন্দিরে প্রার্থনা

আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে জনগণই হবে প্রকৃত মালিক : মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:২৩ এ.এম | ১৩ জানুয়ারী ২০২৬


ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে খালেদা জিয়ার দৃঢ়চিত্ত ভূমিকা স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে দেশের জনগণকে সাহস জুগিয়েছে, অনুপ্রাণিত করেছে উল্লেখ করে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আগামীতে যাঁরা গণতন্ত্র ও অধিকারের জন্য লড়াই করবেন, খালেদা জিয়া তাঁদের কাছেও সাহসের বাতিঘর হিসেবে থেকে যাবেন। যে গণতন্ত্র দেশনেত্রী খালেদা জিয়া লালন করেছেন আজকে সেই গণতন্ত্র সাথে নিয়ে এসেছে তারেক রহমান। 
সোমবার বাদ আসর সদর থানার ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা যুবদল নেতা ইয়াকুব পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এবং যুবদল নেতা নাজমুল হাসান নাসিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বাদ মাগরিব বানরগাতি বানিয়াখামার সর্বজনীন মন্দির কমিটির আয়োজনে রামচন্দ্র পোদ্দার এর সভাপতিত্বে এবং দিলিপ মন্ডল ও মফিকুল ইসলাম নিপুর পরিচালনায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে দেশকে লুটপাট করে খাদের কিনারায় দাঁড় করানো হয়েছে। এই খাদের কিনারা ও ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে উদ্ধার করতে হলে একমাত্র বিএনপি’র সরকারই প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে জনগণই হবে প্রকৃত মালিক। দেশের ১৮ কোটি মানুষের হাতে থাকবে দেশের মালিকানা। দলের চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার ৩১ দফার ভিত্তিত্বে সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। বিএনপি সকল ধর্মের স¤প্রীতিতে বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল। আমরা কখনোই অন্য ধর্মের মানুষের উপর কোনো নিপিড়ন নির্যাতনে বিশ্বাস করি না। ৩১ দফার ভেতর হিন্দু মুসলমান খ্রিস্টান কারো মধ্যে কোন বিভেদ বৈষম্য থাকবে না। দেশের জুলাই আন্দোলনে শহীদদের পাশাপাশি শহীদ শরিফ ওসমান হাদি, বিএনপিসহ বিরোধী দলের যেসব নেতাকর্মী দেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং  তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, নজরুল ইসলাম বাবু, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, ইউসুফ হারুন মজনু, শরিফুল ইসলাম বাবু, জিএম রফিকুল হাসান, গাজী আফসার উদ্দিন, শহীদ খান, এইচ এম আসলাম হোসেন, আমিনুল ইসলাম আমিন, কে এম সেলিম, সমির হাওলাদার, মতিয়ার রহমান, মকবুল ইসলাম পিরন, আবু তালেব, রোকেয়া ফারুক, বাবুল রানা, সাখাওয়াত হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, আলাউদ্দিন মিয়া, শামীম আশরাফ, লুৎফর রহমান, লাভলী, শরিফুল ইসলাম সাগর, মিজানুর রহমান, পারভীন বেগম, ইমরান জনি, ইমরান হোসেন, কামরুল আলম খোকন, পান্না খান, ফারুক খান, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মাহবুব উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান খান তুষার, এড কিশোর কুমার বৈরাগী, শফিকুল ইসলাম খোকন, হুমায়ুন কবির, মাসুদ রুমী, রফিকুজ্জামান সাগর, ইয়াসির আরাফাত রাসেল, আল হেলাল, মামুনুর রহমান রাসেল, অভিজাত বালা, কবির শিকদার, মামুনুর রহমান, শুকুর আলী, আব্দুল মান্নান, জাহাঙ্গীর হোসেন, বেলাল হোসেন, গৌরঙ্গ বিশ্বাস গোরা, দেবদাস রায়, ওরজুন সরকার, দিপক রায়, গৌরাঙ্গ, সিদ্দিকুর রহমান, মোকলেছুর রহমান, ফারুক সরদার, এজাজ শেখ, জাহেদা আক্তার, তালুকদার সোহাগ, আশিকুর রহমান, আল আমিন শেখ, পরিমল মন্ডল, ফাতেমা বেগম, জাহিদুল ইসলাম, গণেশ মন্ডল, শরজিত বালঅ, দিনেশ বালা, বিপুল রায়, শেখর, নারায়ন চন্দ্র সরকার, সোহাগ রানা, ভাবনা, শ্যামলী, মাসুম হোসেন, ইয়াসিন, কবির ফরাজী প্রমুখ।      

্রিন্ট

আরও সংবদ