খুলনা | শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ | ২ মাঘ ১৪৩২

যুক্তরাষ্ট্রে আইসের অভিযানে গাড়ির গ্লাস ভেঙে বাংলাদেশি নারীকে জোরপূর্বক আটক

খবর প্রতিবেদন |
০২:০২ এ.এম | ১৬ জানুয়ারী ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে আলিয়া রহমান নামের এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে আটক করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টরা। আলিয়া একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং মানবাধিকার ও এলজিবিটি অধিকারকর্মী। তার শৈশবের একটি বড় অংশ কেটেছে বাংলাদেশে।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানোর সময় আইস এজেন্টরা আলিয়ার গাড়ির কাচ ভেঙে তাকে জোরপূর্বক বের করেন। অভিযোগ আছে, আলিয়া তার গাড়ি ব্যবহার করে এজেন্টদের পথরোধ করেছিলেন। এ সময় আশপাশের বিক্ষোভকারীরাও এজেন্টদের থামতে চেয়েছিলেন। আলিয়া বলেন, তিনি অসুস্থ এবং চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছিলেন।
আইস, যা যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অধীনে কাজ করে, মূলত অভিবাসন আইন প্রয়োগ, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে। সংস্থাটি অবৈধ অভিবাসীদের আটক, বিচার ও ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্টেশন) কাজেও নিয়োজিত।
৪৩ বছর বয়সী আলিয়া রহমান একজন অভিজ্ঞ সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং কমিউনিটি-ফোকাসড সিকিউরিটি প্র্যাকটিশনার হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। তিনি পূর্বে নিউ আমেরিকার ওপেন টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের ফেলো ছিলেন এবং পুলিশের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের নীতি নিয়ে কাজ করেছেন। লিংকডইন অনুযায়ী, তিনি পারডু ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং সাইবার নিরাপত্তায় প্রশিক্ষিত পেশাজীবী।
আলিয়া বলেন, তার শৈশব বাংলাদেশে কেটেছে। তিনি পোশাক শ্রমিকদের অধিকার আন্দোলন এবং নারী নেতৃত্বের জন্য বিভিন্ন আন্দোলন দেখেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার, ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন এবং এলজিবিটি অধিকার সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।
আইস অভিযোগ করেছে, আলিয়া অভিযানের সময় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং বিষয়টি স্থানীয় কমিউনিটি ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

্রিন্ট

আরও সংবদ