সময়ের খবর

খুলনা | রবিবার | ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ৫ মাঘ ১৪৩২

নগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বক্তারা

শহীদ জিয়া ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০৭:১২ পি.এম | ১৮ জানুয়ারী ২০২৬


খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। তিনি শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ক নন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের জীবন্ত প্রবর্তক হিসেবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছেন। তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রেখেছে।

আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় দলীয় কার্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার সময় জিয়াউর রহমান জাতিকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন। বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ভিত্তি স্থাপন করে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান। ১৯৭৮ সালে তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), যা আজও বহুদলীয় গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ধারক ও বাহক। সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান কেবল রাষ্ট্র পরিচালনায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি আধুনিক, উন্নয়নমুখী, মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ও বাস্তবভিত্তিক নীতি-নির্ধারণ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় নতুন দিগন্তের সূচনা করে। তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করলেও তাঁর আদর্শ, রাজনৈতিক দর্শন ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনা আজও এ দেশের মানুষের হৃদয়ে অমলিন। ষড়যন্ত্রকারীরা একজন মানুষকে হত্যা করতে পারলেও, তাঁর আদর্শকে কখনো নিঃশেষ করতে পারেনি। শহীদ জিয়া আজও গণতন্ত্রকামী মানুষের অনুপ্রেরণা, সাহস ও শক্তির প্রতীক হয়ে বেঁচে আছেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, একরামুল কবীর মিল্টন, জামাল তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, আবু সাঈদ শেখ, মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ওয়াহিদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জয়নাল আবেদীন মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম মোঃ আজাদ হোসেন মোহাম্মদ রুহুল আমিন, রবিউল ইসলাম রুবেল, কে এম এ জলিল, ইস্তিয়াক আহম্মেদ ইস্তি,  হাফেজ মোঃ আল-আমিন, মো. শফিকুল ইসলাম শফি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসির উদ্দিন, সৈয়দ ইমরান, ইফতেখার হোসেন বাবু, মাসুদউল হক হারুন, মোল্লা মশিউর রহমান, মোঃ সালাউদ্দীন মোল্লা (বুলবুল), গাজী আফসার উদ্দীন, এস এম নুরুল আলম দিপু, শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, শেখ আব্দুল আলীম, শেখ হাবিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ মাহমুদ আলম মোড়ল, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ বায়েজিদ, মঞ্জুরুল আলম, জুয়েল খান, মোঃ নাজমুস সাকিব, মোঃ সওগাতুল আলম ছগীর, মোঃ আমিন আহমেদ, মোঃ শওকত আলী বিশ^াস লাবু, সাইফুল ইসলাম, মোঃ ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, কাজী মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ আবুল ওয়ারা, মোঃ কামরুজ্জামান রুনু, মোঃ আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, আবু সাঈদ, ইয়াজুল ইসলাম এ্যপোলো মিজানুর রশীদ মিজান, নুরুল হুদা পলাশ, নাদিম আশফাক, মোঃ রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির, শেখ মোঃ মফিজুর রহমান, শেখ সরোয়ার, জামির হোসেন দিপু, মোঃ মুরাদ হোসেন, মোঃ মফিজুল সরদার, সৈয়দ আজাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, বাবুল রানা, মোঃ সোহরাব মোল্লা, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, শেখ মনিরুল ইসলাম, মোঃ বক্কর মীর, মোঃ আলী আফজাল, ডাঃ শাহিন আহসান প্রমূখ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ (১৯ জানুয়ারি) খুলনা প্রেসক্লাব ব্যাংকুয়েট হলে “স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব ও গনতন্ত্র সুরক্ষায় শহীদ জিয়া” আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। 

্্ট

আরও সংবদ