খুলনা | মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারী ২০২৬ | ৬ মাঘ ১৪৩২
আমরা খুলনাবাসীর বিবৃতি
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলাকে ট্রানজিট সুবিধায় আনতে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আন্তর্জাতিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে ২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর এ রেলপথ নির্মাণের অনুমোদন দেয় তৎকালীন সরকার। বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে মোংলা থেকে যশোরের স্হল বন্দর বেনাপোল পর্যন্ত ৯৭ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করে। ১ হাজার ৭ শত কোটি টাকা ব্যয় ধরলেও পরবর্তীতে ব্যয় বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা করা হয়। ভারতীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইরকন ইন্টারন্যাশনাল ও লারসেন এন্ড টুরো নামের দু’টি প্রতিষ্ঠান রেলসেতু রেলপথ ও টেলিকমিউনিকেশন এবং সিগন্যালিং সিস্টেম স্হাপনসহ আধুনিক রেলষ্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ করে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল রেল পথের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন পর দিনে দুই বার মোংলা বন্দর থেকে মোংলা কমিউটার ট্রেন বেতনা নামে চলাচল করে প্রতি মাসে এ রেলপথ দিয়ে ৪০-৪৫ লাখ টাকা আয় হলেও।
এই রুটকে অলাভজনক দেখিয়ে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া। পাকশি রেল বিভাগের ব্যবস্থাপক মিহির কুমার বলেছেন নিয়ম নীতি মেনেই নাকি বেসরকারি খাতে লীজ দেওয়া হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন কার সার্থে এই রেলপথ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিচ্ছেন? সেটি খুলনার মানুষ জানতে চায়।
অনতিবিলম্বে টেন্ডার বাতিল করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় খুলনা-মোংলা রেলপথ পরিচালনার জন্য সংশি¬ষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি আহŸান জানান। অন্যথায় খুলনার প্রতি এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
বিবৃতিদাতারা হলেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, আঃ সালাম, মোঃ জামাল মোড়ল, মোঃ সিরাজ উদ্দিন সেন্টু, এড. কাজী আমিনুল ইসলাম মিঠু, মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, জিএম মহিউদ্দিন উদ্দিন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, এসএম সাইফুদ্দোহা, সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আলী এম এ জলিল, মোঃ কামরুল ইসলাম ভুট্টো, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাকিল আহমেদ রাজা, আঃ রাজ্জাক, মোঃ জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু, তালুকদার মোঃ হেলালুজ্জামান, খন্দকার তৈয়েবুল ইসলাম টিম, মোঃ সবুজুল ইসলাম, মোঃ খায়রুল আলম, লিটন মিত্র, মোঃ মনিরুজ্জামান মিলন, মোঃ মামুন অর রশিদ, শেখ আইনুল হক, মোঃ মেজবাহ উদ্দিন পাপ্পু, মোঃ রেজওয়ান হোসেন, মোঃ আবু বক্কার ও মোঃ আজমল হোসেন প্রমুখ।