সময়ের খবর

খুলনা | বুধবার | ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ১৫ মাঘ ১৪৩২

উচ্চ আদালতের আদেশ থাকার পরও মোংলা বন্দরে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ আটকের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৪৯ এ.এম | ২৮ জানুয়ারী ২০২৬


উচ্চ আদালতের আদেশ থাকার পরও মোংলা বন্দর সার নিয়ে আগত পানামা পতাকাবাহী এম ভি এইচটিপি আম্বার জাহাজটি আটকে রাখা হয়েছে। জাহাজ মালিক পক্ষের আইনজীবী দাবি করে রপ্তানীকারক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও  তাদের প্রতিনিধি অবৈধ দাবি কারনে এই জটিলতা, ফলে দেশের ও বন্দরে সুনাম ক্ষুণœ হচ্ছে।
ভিয়েতনাম টুং অন শিপিং এন্ড টেডিং কোম্পানী লিঃ কোম্পানী মালিকানাধীন এই এমভি এইচ টিপি আম্বার জাহাজে যশোরের খান এন্টারন্যাশনাল ৯৬০০ মেট্রিক টন সার নিয়ে মোংলা বন্দরে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ মোংলা বন্দরে নোঙর করে। শুল্ক পরিশোধ পূর্ব্বক এই আমদানী কৃত জিপসাম সার খালাসও করে। কিন্তু খালাস কালে দুই পক্ষের  বিরোধের কারনে কিছু দিন খালাস বন্ধ ছিল। জাহাজটিতে  ভারতের মুরালী এক্সপোর্ট হাউস হতে  ভারতের  পারদি বন্দর থেকে এই জিপসাম সারগুলি আমদানী করে ছিল বলে আমদানী কারক জিল্লুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
পরবর্তীতে যশোর খান এন্টারন্যাশনাল মালিক এমডি জিল্লুর রহমান নৌ-বাণিজ্য আদালতে  মামলা দায়ের করে  আটকাদেশ জারী করেন। পরবর্তীতে জাহাজটির পক্ষ হতে আপীল বিভাগে সিভিল পিটিশিন ফর লীভ টু আপীল দায়ের করে। এই আপীলের প্রেক্ষিতে গত ১১ জানুয়ারি জাহাজ আটকাদেশ ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। মোংলা বন্দর কতৃপক্ষ  জাহাজটি সেল করার জন্য কোন আপত্তি নাই বলে সনদও প্রদান করেন। আপীল বিভাগের যাবতীয় কাগজ পত্র মোংলা বন্দর এবং মোংলা কাস্টমস হাউসকে প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে এখন বন্দর হতে জাহাজটিকে সেল করতে দেয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ মোংলা বন্দরে ইতিপূর্বে বিদেশী মালিকানাধীন জাহাজ আটক রেখে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কারনে বন্দরের সুনাম ক্ষুণœ হয়েছিল। বিদেশী জাহাজ মালামাল খালাসের পর বন্দর ত্যাগে বিলম্ব  করলে  জাহাজ মালিক কর্তৃপক্ষকে বৈদেশিক মুদ্রায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ডেমারেজ দিতে হয়।
এ ব্যাপারে যশোরের খান এন্টারপ্রাইজ মালিক জিল্লুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কল  রিসিভ করেননি। পরে কয়েক দফা চেষ্টার পর তিনি জিল্লুর রহমান জানান ১১ দিন খালাস বন্ধ থাকায় তার আর্থিক ক্ষতি হয়ে ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশের পর তিনি জাহাজ থেকে সার সব খালাস করে নিয়েছেন। কিন্তু জাহাজ এখনও চলে গেছে কিনা তা তার জানা নেই। 
তিনি বলেন ভারতীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আর ভিয়েতনামের জাহাজ মালিকদের মধ্যে বিরোধ হতে পরে। তিনি কোন অবৈধ টাকা দাবি করেননি, তবে তার সার খালাসে বিলম্বের কারণে আর্থিক ক্ষতি পূরণ চেয়ে সমঝোতা করতে বলেছিলেন।
 

্্ট

আরও সংবদ