সময়ের খবর

খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ | ১৬ মাঘ ১৪৩২

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা সাজিয়ে চাকরি, সেই সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে

খবর প্রতিবেদন |
০৬:০২ পি.এম | ২৮ জানুয়ারী ২০২৬


আপন চাচাকে বাবা পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তাঁর পদমর্যাদা সিনিয়র সহকারী সচিব।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মো. কামাল হোসেনের জামিন বাতিল করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি জানান, আসামি জামিনের শর্ত ভঙ্গ করায় আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর মো. কামাল হোসেন উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতা ও ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত শর্তে তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হয়। তবে দুই দফায় জামিনের শর্ত পালন না করায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মো. কামাল হোসেনের প্রকৃত জন্মদাতা পিতা মো. আবুল কাশেম এবং মা মোছা. হাবীয়া খাতুন। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব ও চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে নিজের পিতা-মাতা হিসেবে পরিচয় দেন। এই জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, কামাল হোসেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সময় তাঁর প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। তবে নবম শ্রেণিতে ওঠার পর একই বিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রেশনের সময় তিনি কৌশলে চাচা ও চাচিকে নিজের পিতা-মাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।

্্ট

আরও সংবদ