খুলনা | শুক্রবার | ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯ চৈত্র ১৪৩২

ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর তথ্য বিভ্রান্তিকর : সরকার

খবর প্রতিবেদন |
০১:৪৭ এ.এম | ০৩ এপ্রিল ২০২৬


ইংরেজি ভাষা শিখতে ৩০০ জন সচিবকে থাইল্যান্ডে পাঠানো হচ্ছে’-স¤প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হবার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্যকে সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিকর বলে অভিহিত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ মানসুর হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংবাদটিকে প্রত্যাখ্যান করে এর প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সচিবদের জন্য নয়। এটি সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। ‘স্ট্রেংদেনিং ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি অব বিয়াম ফর কনডাকটিং কোর কোর্সেস' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মূলত তিনটি কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।
এই কোর্সগুলো হচ্ছে, গভর্ন্যান্স, ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (জিএফএমপিপি); নেগোসিয়েশন স্কিলস এ্যান্ড ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সি (এনএসইপি); পলিসি ফরম্যুলেশন: ই-গভর্ন্যান্স অ্যান্ড আইসিটি (পিএফ:ইজিআইসিটি)।
প্রশিক্ষণটি  জাপান সরকারের ডিআরজিএসিএফ ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালনা করা হবে। এতে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই। ফলে দেশের কোষাগারের টাকা খরচ হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন।
প্রকাশিত সংবাদে প্রশিক্ষণের গন্তব্য ‘পাতায়া’ উল্লেখ করা হলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তা সত্য নয়। মূলত ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে ইউরোপের (ইতালি বা যুক্তরাজ্য) পরিবর্তে এশিয়ার কোনো দেশ যেমন-থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পাতায়ার নাম ব্যবহার করে বিষয়টিকে ‘পর্যটনকেন্দ্রিক’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি মন্ত্রণালয়ের।
এ প্রসঙ্গে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই প্রস্তাবটি এখনও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়নি। অর্থাৎ, এটি এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং প্রক্রিয়াধীন একটি বিষয়। সম্যক ধারণা ব্যতীত জনপ্রশাসন সম্পর্কে এ রকম অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের মতো স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের জন্য বিব্রতকর এবং অনাকাঙ্খিত।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ