খুলনা | রবিবার | ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২২ চৈত্র ১৪৩২

‘খালগুলি পরিষ্কারে দুই মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে’

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস কর্মসূচি

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:০১ এ.এম | ০৫ এপ্রিল ২০২৬


ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশব্যাপী ঘোষিত “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগর জুড়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গৃহীত এ কর্মসূচির আওতায় শনিবার নগরীর খালিশপুর এলাকায় মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ১২নং ওয়ার্ডস্থ প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত থেকে বিশেষ এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী বিভাগ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। 
এ সময় স্থানীয় জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর সমস্যা দূর করার জন্যই কেসিসি’র এ উদ্যোগ। একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগরী গড়ে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য। খালগুলি পরিষ্কার করার জন্য দুই মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে উলে­খ করে তিনি বলেন আসন্ন বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই ড্রেনগুলি এমনভাবে পরিষ্কার করা হবে যাতে বর্ষায় কোথাও জলজটের সৃষ্টি না হয়। ড্রেনে বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য তিনি নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান এবং নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার কাজে সফল হওয়া সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। 
উলে­খ্য, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ মোকাবিলায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে এবং নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। ড্রেন, নালা, আবর্জনার স্তূপ এবং মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে। কেসিসি’র এই বিশেষ উদ্যোগের পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ বাড়িতে থাকা ফুলের টব, ড্রাম, অব্যহৃত বালতি বা পরিত্যক্ত টায়ারে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য আহŸান জানানো হয়েছে। 
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান ও মোঃ অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত গলি, এস লাইনের মসজিদ, গোয়ালখালী হয়ে বাস্তুহারা পর্যন্ত ড্রেন, বয়রা হাউজিং এস্টেট-এর ১নং সড়ক, ক্ষুদে খালের অবশিষ্ট অংশে চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ