খুলনা | বুধবার | ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | ২৫ চৈত্র ১৪৩২

বেনাপোল বন্দরে সিন্থেটিক কাপড় ঘোষণায় বিপুল-পরিমাণ শাড়ি-থ্রিপিস আমদানি

বেনাপোল প্রতিনিধি |
০১:৫৩ এ.এম | ০৬ এপ্রিল ২০২৬


বেনাপোল স্থলবন্দরে সিন্থেটিক ফেব্রিক্স কাপড় ঘোষণা দিয়ে শাড়ি-থ্রিপিস আমদানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)  এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পণ্য চালানটি আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। রোববার বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৯ নম্বর শেড থেকে সিন্থেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণা দিয়ে আনা বিপুল-পরিমাণ শাড়ি-থ্রীপিচের চালানটি আটক করা হয়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে ঢাকার মেসার্স ‘নুসরাত ট্রেডিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান শনিবার পণ্য চালানটি আমদানি করে। বন্দর থেকে পণ্য চালানটি ছাড় করনের জন্য কাস্টমস হাউসে কাগজপত্র দাখিল করেন সি এ্যান্ড এফ এজেন্ট মেসার্স ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’। চালানটিতে মোট ২৬০টি প্যাকেজ রয়েছে। যার ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১/২০২৬/০০২/০০২০০২৫/০৪ বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘোষণায় শুধুমাত্র সিন্থেটিক ফেব্রিক্স উল্লে¬খ থাকলেও বাস্তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শাড়ি ও থ্রিপিস রয়েছে, যা শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অভিযান পরিচালনা করে চালানটিতে ২৬০ প্যাকেজের স্থলে ২৬৭ প্যাকেজ মাল পায়। যেখানে সিনথেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণার আড়ালে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি পাওয়া গেছে। মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্যটি সাময়িক আটক করা হয়েছে । আটক পণ্যের মূল্য প্রায় কোটি টাকা হবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল কাস্টমস-এর সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান প্রাথমিকভাবে পণ্যটিতে ঘোষণা বহির্ভূত শাড়ি পাওয়া গেছে। পণ্য চালানটি সাময়িক আটক করা হয়েছে। ইনভেন্টি শেষ হলে বোঝা যাবে কি পরিমাণ ঘোষণা বহির্ভূত শাড়ি- থ্রিপিস আছে বা কত টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হচ্ছিল। তবে এর সাথে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ