খুলনা | শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | ২৬ চৈত্র ১৪৩২

প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে স্থানীয় সরকারের ৫ বিল পাস

খবর প্রতিবেদন |
১১:২৭ পি.এম | ০৯ এপ্রিল ২০২৬

 

বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগের বিধান বহাল রেখে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি সংশোধনী বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি হওয়া অধ্যাদেশের ধারাবাহিকতায় আনা এসব সংশোধনী নিয়ে বিরোধী দল সংবিধান লঙ্ঘনের প্রশ্ন তুলেছে। তবে সরকার বলছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নাগরিক সেবা সচল রাখা এবং দ্রুত নির্বাচনে যেতে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদে স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬, উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬, জেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬, স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬ এবং স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল, ২০২৬ উত্থাপন, অবিলম্বে বিবেচনা এবং কণ্ঠভোটে পাস হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিলগুলো সংসদে তোলেন। জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পরিষদ বিলের ক্ষেত্রে বিরোধী সদস্যরা আপত্তি তোলেন। ইউনিয়ন পরিষদ বিলটি তুলনামূলক কম বিতর্কে পাস হয়।

পাঁচটি বিলেই প্রায় একই ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে অনেক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্মস্থলে অনুপস্থিত, পলাতক বা আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সেই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ তৈরি করেছিল, এখন সেগুলো আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

সংসদে আলোচনায় তিনি বলেন, আইনগুলো পাস হওয়ার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে যাবে সরকার।

কী আছে সংশোধনীতে
আলোচনায় প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব আইনে ‘বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে’ জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ এবং প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল, কারণ তখন স্থানীয় সরকারের বহু জনপ্রতিনিধি অনুপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় সেবা ব্যাহত হচ্ছিল। এখন সেই বিধানই আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিধানও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এ অংশ নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি ছিল না।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, সংশোধনীগুলো স্থায়ীভাবে প্রশাসক বসিয়ে রাখার জন্য নয়, বরং নির্বাচন পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো ধরে রাখার জন্য আনা হয়েছে।

জেলা পরিষদ বিল নিয়ে সাংবিধানিক প্রশ্ন
জেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬ উত্থাপনের অনুমতির পর্যায়ে যশোরের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক বলেন, বিলটি সংবিধানের ১১, ৫৯ ও ৯৩ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সংবিধান থেকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।

অর্থাৎ, স্থানীয় শাসন নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত থাকার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। এ অবস্থায় নির্বাচন ছাড়া প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ রাখা ‘ঠিক নয়’ বলে তার ভাষ্য।

এনামুল হক এ সময় কুদরতে এলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ মামলার রায়ের কথাও টানেন। তার যুক্তি, স্থানীয় সরকার ভেঙে দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা বসানোর প্রশ্নে আদালত অতীতেও আপত্তি জানিয়েছিল।

জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, গত ৫ অগাস্ট জুলাই অগাস্টে রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর সৃষ্ট পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন জেলা পরিষদের বিনা ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, পলাতক, আত্মগোপনে থাকায় জেলা পরিষদসমূহের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি হওয়া অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করতেই এ বিল আনা হয়েছে।

পরে বিলটি উত্থাপন, অবিলম্বে বিবেচনা ও পাস হয়।

পৌরসভা বিলেও একই আপত্তি
স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬ উত্থাপনের পর্যায়ে আপত্তি তোলেন পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান।

তিনি বলেন, নির্বাচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমেই স্থানীয় সরকার পরিচালিত হওয়ার কথা; অনির্বাচিত প্রশাসক বসানোর প্রভিশন তো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হইতে পারে না।

নাজিবুর রহমান বলেন, ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ কী, তার কোনো স্পষ্ট মানদণ্ড আইনে নেই। তাতে খেয়ালখুশিমত আইন প্রয়োগের আশঙ্কা তৈরি হবে।

তার আশঙ্কা, স্থানীয় সরকারে প্রশাসক নিয়োগের বিধান ভবিষ্যতে ‘রাজনৈতিকভাবে’ ব্যবহার হতে পারে।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পৌরসভা আইন সংশোধনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। এই সংশোধনীর মধ্যেই দলীয় প্রতীকে নির্বাচন বাদ দেওয়ার বিষয়টি আছে।

পরে পৌরসভা সংশোধন বিলও কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সিটি করপোরেশন বিলে বিশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্ক
স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল, ২০২৬ উত্থাপনের অনুমতির পর্যায়ে আপত্তি জানান এনসিপির হান্নান মাসউদ।

তিনি বলেন, আজকে কয়েকটা বিল উপস্থাপন করা হয়েছে যার মাধ্যমে মূলত স্থানীয় সরকার বা স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা যা রয়েছে তার পিঠে ছুরিকাঘাত করা হচ্ছে।

তার প্রশ্ন ছিল, বিশেষ পরিস্থিতি বলতে কোনটি? এবং উপযুক্ত ব্যক্তি বলতে কাকে বোঝানো হচ্ছে?

হান্নান মাসউদের অভিযোগ, এভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরিয়ে ‘দলীয়ভাবে পছন্দের লোক’ বসানোর পথ তৈরি হচ্ছে।

তার ভাষায়, এটা একটি কালো আইন হিসেবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে থাকবে।

অন্তর্বর্তী সরকার ৫ অগাস্ট পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ধরনের বিধান এনেছিল। কিন্তু এখন ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে, তার ব্যাখ্যা নেই বলে মন্তব্য করেন এনসিপির এই এমপি।

জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, সিটি করপোরেশন আইনের সংশোধনে বিশেষ পরিস্থিতিতে মেয়র ও কাউন্সিলরদের অনুপস্থিতিকালে প্রশাসক নিয়োগের বিধান ‘অধিকতর স্পষ্ট’ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষমতাও যুক্ত করা হয়েছে।

এই আইন এখনো পাস হয়নি। আইন পাস না হওয়া পর্যন্ত যেহেতু নির্বাচন দেওয়া যাচ্ছে না, এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতি। এই কারণেই আমরা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না করার বিধানও এই সংশোধনীর অংশ। পরে সিটি করপোরেশন সংশোধন বিলও পাস হয়।

উপজেলা পরিষদ বিলে ভবিষ্যৎ অপব্যবহারের আশঙ্কা
উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬ উত্থাপনের অনুমতির পর্যায়ে আপত্তি জানান শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, একই ধরনের আইন বারবার আনা হচ্ছে, কিন্তু এগুলো ভবিষ্যতে বিরোধী দলকে হেনস্তা করার জন্য ব্যবহার হতে পারে।

তার ভাষায়, যদি এখানে ফাঁকফোকর রেখে দেওয়া হয়, তাহলে তার মাধ্যমে যে বিরোধী দলকে হেনস্তা করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে, গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে, সেই বিষয়টি আমাদের আর বুঝতে বাকি নেই।

রাশেদুল ইসলামের বক্তব্য ছিল, সরকার চাইলে এমন আইন আনতে পারত, যেখানে নির্দিষ্ট দোষ প্রমাণিত হলে তবেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে অপসারণের সুযোগ থাকবে।

স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার বদলে এই সংশোধনীগুলো ‘নির্বাহী নিয়ন্ত্রণের মধ্যে’ রাখছে বলেও মন্তব্য করেন এই এমপি।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আইনগুলো পাস হয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানে আমরা নির্বাচন দিব ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য থাকলে ‘গণহারে’ প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হত।

পরে উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিলও কণ্ঠভোটে পাস হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ বিল
পাঁচ বিলের মধ্যে স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬ প্রথমে পাস হয়। এই বিলের ওপর আলাদা বড় বিতর্ক ওঠেনি।

অন্য চার বিলের মতই এটি উত্থাপন, অবিলম্বে বিবেচনা এবং দফাওয়ারি অনুমোদনের পর কণ্ঠভোটে পাস হয়।

পাঁচটি বিলের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, এখন ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ হল আইন পাস না হওয়ায় নির্বাচন দেওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করতেই এসব বিল আনা হয়েছে।

তার দাবি, সরকারের উদ্দেশ্য স্থানীয় সরকারে স্থায়ীভাবে প্রশাসক বসিয়ে রাখা নয়, বরং আইনগত ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে নির্বাচনের পথে যাওয়া।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আলাদা অধ্যাদেশের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘উপযুক্ত ব্যক্তিকে’ প্রশাসক নিয়োগের বিধান যোগ করা হয়। পরে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধানও সংশ্লিষ্ট আইনগুলো থেকে বাদ দেওয়া হয়। এবার সেই অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপ দেওয়া হল।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামোর পাঁচটি স্তর– ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন–এই পাঁচ স্তরেই নতুন সংশোধনী কার্যকর হবে।

বিরোধী দলের ওয়াকআউট
জেলা পরিষদ ও পৌরসভা বিল পাসের পর বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।

তার ভাষায়, দুঃখ হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে আমরা তার দায় নিতে চাই না, এজন্য আমরা এখন সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।

পরে অধিবেশনে ফিরে এসে তিনি বলেন, আমরা যেটা যৌক্তিক মনে করব সেটাতে আমরা একমত হব, সহযোগিতাও করব। যেটা আমাদের যুক্তিতে ধরবে না, এটার আমরা বিরোধিতা করব। এটা আমাদের দায়িত্ব এবং অধিকার।

ডেপুটি স্পিকার জবাবে বলেন, ওয়াকআউট করা ডেমোক্রেটিক রাইটস অ্যান্ড প্র্যাকটিস।

এক দিনে ৩১ বিল পাস
বৃহস্পতিবার সংসদে পাস হওয়া ৩১টি বিল হল–

• স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধন বিল

• উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল

• জেলা পরিষদ সংশোধন বিল

• স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল

• স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল

• জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সংশোধন বিল

• বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন সংশোধন বিল

• শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সংশোধন বিল

• বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সংশোধন বিল

• পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন বিল

• বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী সংশোধন বিল

• বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল

• আইনগত সহায়তা প্রদান সংশোধন বিল

• জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন বিল

• সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ বিল

• সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল

• জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিল

• ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল

• বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ সংশোধন বিল

• বাংলাদেশ গ্যাস সংশোধন বিল

• মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল

• বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন সংশোধন বিল

• মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল

• বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল

• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার সংশোধন বিল

• বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট সংশোধন বিল

• বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বিল

• রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল

• ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল

• বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন সংশোধন বিল

• নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস সংশোধন বিল

প্রিন্ট

আরও সংবাদ