খুলনা | বুধবার | ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২ বৈশাখ ১৪৩৩

খুবিতে হিট সাব-প্রজেক্টের ইনসেপশন কর্মশালা

‘দক্ষিণ-পশ্চিম উপক‚লীয় অঞ্চলে চিংড়ি ও মাছের বিভিন্ন রোগ একোয়াকালচার খাতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে’

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:২৮ এ.এম | ১৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) ডিসিপ্লিনে পরিচালিত Harnessing the Potential of Phytobiotics by Metagenomics and Immunogenomics approaches for Green Solutions of Aquaculture Pathogens in the Southwest Coastal Bangladesh শীর্ষক হিট সাব প্রকল্পের ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। 
তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম উপক‚লীয় অঞ্চলে চিংড়ি ও মাছের বিভিন্ন রোগ একোয়াকালচার খাতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা মোকাবেলায় ফাইটোবায়োটিকস, মেটাজেনোমিকস ও ইমিউনোজেনোমিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান বের করা সময়ের দাবি। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা করা সম্ভব হবে।
সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত গবেষণায় উলে­খযোগ্য ভ‚মিকা রাখছেন। হিট সাব-প্রজেক্টের এসব গবেষণাগুলোও ফলপ্রসূ হবে। এই অঞ্চলের একোয়াকালচারের ব্যাপক চাহিদাকে সামনে রেখে এ গবেষণার ফলাফল আমাদের জন্য গর্ব বয়ে আনবে বলেও তিনি উলে­খ করেন। তিনি প্রকল্পের ফান্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ম-নীতি মেনে পরিচালনার আহŸান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বলেন, দেশের গবেষণা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সফলতা এসেছে কৃষি ও মৎস্য খাতে। তবে অনেক ক্ষেত্রে মাছের উৎপাদন বাড়াতে অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ব্যবহার মানবদেহের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রকৃতিবান্ধব এই গবেষণার মাধ্যমে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে, যা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির আরও বক্তৃতা করেন মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক বিপুল কুমার বসাক। 
টেকনিক্যাল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সাব-প্রজেক্টের ফ্রেমওয়ার্ক ও ওয়ার্ক প্ল্যান তুলে ধরেন প্রজেক্টের এএসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সরোয়ার। স্বাগত বক্তব্যে প্রকল্পের পরিচিতি তুলে ধরেন প্রজেক্টের এএসপিএম প্রফেসর ড. শিকদার সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান ও নবনিতা রায়। 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্টের সদস্য প্রফেসর ড. সমীর কুমার সাধু। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রজেক্টের এসপিএম প্রফেসর ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ। কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ